Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

শুক্রবারের শুরুতে বাজারের অংশগ্রহণকারীরা আগের দিনের দামের ওঠানামা তুলনামূলক ধীর গতিতে এগিয়ে নিচ্ছেন, কারণ ক্যালেন্ডারে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি সম্পর্কে আরও ইঙ্গিত আসার কথা রয়েছে। তা সত্ত্বেও, মার্কিন ডলার এক বছরের সর্বনিম্নে নেমেছে, ফলে কমোডিটি এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মুদ্রাগুলো তুলনামূলক শক্তিশালী রয়েছে।
এতে, USD-এর বিপরীতে G10 মুদ্রাজোড়াগুলোর মধ্যে USDCNY সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। এরপর রয়েছে NZDUSD ও EURUSD। USD-এর দুর্বলতাকে এই ওঠার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি, চীনকে ঘিরে আশাবাদ এবং ECB-এর কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিতও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, সোনার দাম আগের দিন ছোঁয়া 13 মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি দৃঢ় রয়েছে। মন্দার আশঙ্কার কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম জানুয়ারির শেষের পর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বৃহস্পতিবারের পতন অব্যাহত রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল স্টক ফিউচার অনুসরণ করে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের শেয়ারের দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের শেয়ারের দর সাম্প্রতিক সময়ে আরও শক্তিশালী রয়েছে।
BTCUSD ও ETHUSD যথাক্রমে 10 ও 11 মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে—ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোও পিছিয়ে নেই।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



মন্দা ও ভূরাজনীতি নিয়ে আলোচনা সাম্প্রতিক বাজারের মুভমেন্টের পটভূমি তৈরি করলেও, প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়ায় ট্রেডারদের মনোযোগ এখন মূল্যস্ফীতির দিকে বেশি। এর মধ্যে, মে মাসে ইতিমধ্যে হওয়া 0.25% বৃদ্ধির বাইরে Fed-এর আর সুদের হার বাড়াতে না পারার বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে দামের চাপ কমার বিষয়ে সম্প্রতি দুর্বল ইঙ্গিত আসার মধ্যেই বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।
ফলে, সাম্প্রতিক সংশোধনমূলক উত্থান সত্ত্বেও বন্ডের চাহিদা বজায় রয়েছে এবং তা ইল্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, Q1 আয়ের মৌসুম ইতিবাচকভাবে শুরু হওয়ায় শেয়ারের দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে। এতে মার্কিন ডলার দুর্বল হচ্ছে এবং সোনার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। এদিকে, OPEC+-এর চাহিদার পূর্বাভাসে ব্রেন্ট তেলের বাজার চাঙ্গা হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমে আসন্ন মন্দার আশঙ্কা এবং রাশিয়ার ভাসমান তেল সরবরাহ, যার জন্য এশিয়ার বাইরে বড় ক্রেতা কম।
সাম্প্রতিক বড় দরবৃদ্ধির পর RBNZ সুদের হার বাড়ানো স্থগিত রাখতে পারে—এমন প্রত্যাশায় NZDUSD চাপে রয়েছে, আর EURUSD কয়েক দিনের সর্বোচ্চ দামের কাছাকাছি পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ব্রেক্সিট নিয়ে আশাবাদ এবং দেশের বেশির ভাগ ইতিবাচক তথ্যের জেরে GBPUSD 10 মাসের সর্বোচ্চ দামে উঠেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন ডলারের দুর্বলতার পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্বপূর্ণ স্তরগুলো সফলভাবে ভেঙে যাওয়া এবং শিল্পখাতের ঘটনাবলিতে কোনো বড় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না থাকায় BTCUSD ও ETHUSD ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে—এই ঘটনাগুলোই আগে প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর দরপতনের ইঙ্গিত দিয়েছিল।
ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতির চূড়ান্ত পরিসংখ্যান বাজারে কিছুটা নড়াচড়া আনতে পারে। তবে বেশি নজর থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের মাসিক খুচরা বিক্রির তথ্য, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের (UoM) ভোক্তা আস্থা সূচক এবং মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশার পরিসংখ্যানের দিকে। যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাকেন্দ্রিক তথ্য উন্নতি না দেখালে মার্কিন ডলারের সাম্প্রতিক পতন আরও বাড়তে পারে, যা স্বর্ণের দামকে 2,100 ডলারের বাধার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!