Scan & Get our app!

Get our app!

Download our app and stay connected on the go.

Download app
লগ আউট
Are you sure you want to exist?

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে ঝুঁকি কীভাবে সামলাবেন

ফরেক্সে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কী এবং এটি কেন জরুরি? ভুল ট্রেডিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব সামলাতে এটি কি সত্যিই সাহায্য করতে পারে? কার্যকর ফরেক্স ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল কাজে লাগাতে কী কী টুল দরকার? এই নিবন্ধে এসবসহ আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

None

সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া ট্রেডিংয়ে সফল হওয়া যায় না। অবশ্য ফরেক্সে শুধু পরিকল্পনাই সব নয়। তবে খারাপ ফলাফলসহ সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগে থেকেই আপনার কৌশল ঠিক করে রাখা উচিত। এ ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস, ইন্ডিকেটর এবং ট্রেডিং চার্ট কোনো না কোনোভাবে সাহায্য করে। কিন্তু বাজারে প্রবেশের সময় ট্রেডাররা প্রতিদিন যে সব ঝুঁকির মুখোমুখি হন, সেগুলো সামলানোর জন্য এগুলো যথেষ্ট নয়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যেসব বড় ঝুঁকি সামলাতে হবে

ঝুঁকি কীভাবে সামলাতে হয় তা শেখার আগে, আমাদের প্রতিপক্ষকে চিনতে হবে। ট্রেডিংয়ের প্রধান ঝুঁকিগুলো হলো:

  • মুদ্রা-সংক্রান্ত ঝুঁকি—এই ঝুঁকি মূলত মুদ্রার দামের ওঠানামার সঙ্গে সম্পর্কিত। অর্থাৎ, ট্রেডিংয়ের কোনো এক পর্যায়ে একটি কারেন্সি পেয়ারের দাম কমতে বা বাড়তে পারে।
  • সুদের হারের ঝুঁকি—সুদের হার বাড়বে কি না, তা কেউই আগে থেকে বলতে পারে না। সুদের হারে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন ভোলাটিলিটিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে পরিবর্তনের দিক অনুযায়ী ট্রেডের পরিমাণ বা বিনিয়োগের পরিমাণও বদলে যাবে।
  • লিকুইডিটি ঝুঁকি—সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন বা বড় ক্ষতি এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব অ্যাসেট কেনা বা বিক্রি করতে না পারার ঝুঁকিই এটি। বাজারের লিকুইডিটিতে প্রভাব ফেলে এমন বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ঘটনার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
  • লিভারেজের ঝুঁকি—কোনো ট্রেডার কতটা বিনিয়োগ করেছেন বা কতটা ঝুঁকিতে রেখেছেন, তা ভুলে গেলে এই ঝুঁকি তৈরি হয়।

এখন আমরা ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে জানি। কার্যকর ফরেক্স ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য এবার একটি বহুমুখী কৌশল তৈরি করতে হবে।

#1 - বাজার কীভাবে কাজ করে তা বুঝুন

বাজারে সফলভাবে ট্রেড করতে হলে এটি কীভাবে কাজ করে তা বুঝতে হবে। আপনি কোন ধরনের ইনস্ট্রুমেন্টে ট্রেড করবেন? আপনার ট্রেডিং কৌশল কী? আপনি কি শর্ট-টার্ম ট্রেডিং পছন্দ করেন, নাকি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ? কোন টুল ও ইন্ডিকেটর ব্যবহার করবেন?

কোথায় ট্রেড করবেন তা ঠিক করুন—অনলাইন প্ল্যাটফর্মে, স্পট মার্কেটে বা অন্য কোথাও। শুরুটা করুন ফরেক্সের প্রাথমিক বিষয় ও শিক্ষা দিয়ে। আর্থিক বাজার সম্পর্কে মৌলিক বিষয়গুলো শিখতে হবে। এতে আপনি ফরেক্স ট্রেডিংয়ে আরও কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল তৈরি করতে পারবেন।

#2 – লিভারেজ বিবেচনা করুন

ফরেক্স মূলত অনুমাননির্ভর ট্রেডিং। CFD বা স্প্রেড বেটের ক্ষেত্রে দামের ওঠানামা বুঝতে হবে। অন্যভাবে বললে, লিভারেজে ট্রেড করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। অল্প প্রাথমিক ডিপোজিট দিয়েও বাজারের ওঠানামার সুযোগ নেওয়ার এটি একটি উপায়। তবে এতে লোকসানও বেড়ে যেতে পারে—এটাই প্রধান ঝুঁকি। আর্থিক বাজারে আপনি যে ধরনের ট্রেডিং করেন, তার ওপর নির্ভর করে ফরেক্স ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি সামলানোর একাধিক কৌশল থাকা ভালো।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

#3 – একটি পরিকল্পনা তৈরি করুন

পরের ধাপে একটি নির্ভরযোগ্য ফরেক্স ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি করুন। আপনার বিশ্লেষণ করা খবর ও তথ্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপরও এই পরিকল্পনা ভিত্তি করে তৈরি হওয়া উচিত। এতে বাজার সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা নিয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

কিছু নতুন ট্রেডার বেশি সফল ট্রেডারদের ব্যবহৃত পরিচিত কৌশল বেছে নেন। তবে কপি ট্রেডিং না হলে, এমন কৌশল অনুসরণ করা যতটা ভালো মনে হয়, বাস্তবে ততটা নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনার নিজের জন্য উপযোগী কৌশল তৈরি করুন। লাভজনক ও লোকসানের ট্রেডের বিবরণ লিখে রাখার জন্য একটি ট্রেডিং ডায়েরি রাখা ভালো। এতে আপনার ট্রেডগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং ফরেক্স ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি সামলাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারবেন।

#4 – ডেমো অ্যাকাউন্ট দিয়ে শুরু করুন

বাস্তব বাজারের পরিস্থিতিতে দক্ষতা বাড়ানো বা কৌশল পরীক্ষা করার জন্য ডেমো অ্যাকাউন্ট দারুণ একটি সুযোগ। এই মোডে বাস্তব অর্থ ডিপোজিট করার দরকার হয় না, তাই আপনার অর্থ ঝুঁকিতে পড়ে না। পাশাপাশি, সব ফিচার ও সুবিধাসহ ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মটি পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারবেন।

শুরু করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো MT4-এর মতো বাস্তব ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে বাস্তব বাজারের পরিস্থিতি 100% অনুসরণ করে, ডেমো ব্যালেন্সে $5000-সহ একটি বিনামূল্যের ডেমো অ্যাকাউন্ট খোলা। এখানে আপনার অর্থ ঝুঁকিতে না ফেলে ট্রেড করতে শিখতে পারবেন। প্রস্তুত হলে একই প্ল্যাটফর্মে লাইভ ট্রেডিং শুরু করতে পারবেন।

#5 – ঝুঁকি-রিওয়ার্ড অনুপাত

লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার একমাত্র উপায় হলো সঠিক ঝুঁকি-রিওয়ার্ড অনুপাত নির্ধারণ করা। ছোট আকারের একক ট্রেডে কয়েকশবার লোকসান হলেও তা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। সবারই লোকসান হয়। আসল বিষয় হলো, দীর্ঘমেয়াদে আপনি কতটা লাভ করবেন। পাশাপাশি, ঝুঁকি-রিওয়ার্ড অনুপাতের মাধ্যমে ট্রেডের সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণ করা যায়।

#6 – স্টপ লস ও অর্ডার লিমিট

ফরেক্স ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নানা টুল ও কৌশল থাকায় লোকসান এড়ানো যতটা কঠিন মনে হয়, ততটা নয়। অপ্রত্যাশিত লোকসান ঠেকানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে বাই ও সেল লিমিট অর্ডার বিবেচনা করলেই হবে।

এ ছাড়াও, ট্রেডাররা বিভিন্ন ধরনের স্টপ লস কৌশল ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন। এর মধ্যে ট্রেইলিং ও সাধারণ স্টপ লস রয়েছে। তবে ফরেক্স মার্কেটের লিকুইডিটির কারণে স্লিপেজ হতে পারে, তাই এগুলো 100% সুরক্ষা দেয় না।

#7 – আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

পটভূমি বা অভিজ্ঞতা যা-ই হোক, যেকোনো ট্রেডারের জন্য আবেগ সামলানো জরুরি। কঠিন পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলাই আপনাকে ঠিক পথে রাখতে পারে। যা-ই ঘটুক, আগে তৈরি করা পরিকল্পনা বা ট্রেডিং কৌশল মেনে চলুন।

আরও আত্মবিশ্বাসী হতে খবর, ঘটনা ও বিশ্লেষণ কাজে লাগান। বিভিন্ন ট্রেডিং ইন্ডিকেটর ও ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করে বহুমুখী পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

এখনও ট্রেডিংয়ের অভিজ্ঞতা কম, অথবা উপযুক্ত কৌশল খুঁজতে সময় নেই? Copy Trade পরিষেবার মাধ্যমে পেশাদার ট্রেডারদের ট্রেড স্বয়ংক্রিয়ভাবে কপি করুন!

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।