Scan & Get our app!

Get our app!

Download our app and stay connected on the go.

Download app
লগ আউট
Are you sure you want to exist?

নতুনদের জন্য শেয়ারবাজারের ভয় সূচকের ব্যাখ্যা

শেয়ারবাজারের ভয় সূচকটি একটি বহুল প্রচলিত ধারণার কথা তুলে ধরে: আর্থিক বাজার দুটি সবচেয়ে শক্তিশালী আবেগ—লোভ ও ভয়ের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণেই এর পুরো নাম শেয়ারবাজারের ভয় ও লোভ সূচক। এই সূচক শেয়ার ট্রেডারদের কোনো অ্যাসেটের দাম যথাযথ কি না, তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, বিনিয়োগকারীরা এই সূচকের মাধ্যমে বাজারের গতিবিধি বুঝতে পারেন।

None

শেয়ারবাজারের ভয় সূচকটি বেশ নমনীয়। ট্রেডাররা এটি বিভিন্ন সময়সীমায় ব্যবহার করতে পারেন—সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে, এমনকি বাজার সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা পেতে এক বছরের সময়কাল ধরেও এটি পরিমাপ করা যায়। আজ আমরা আলোচনা করব, এটি কীভাবে কাজ করে এবং ট্রেডারদের কী কী সুবিধা দিতে পারে।

শেয়ারবাজারের ভয় সূচক কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?

এই সূচকের ধারণা অনুযায়ী, ট্রেডারদের অতিরিক্ত ভয়ে দাম কমে যায়। অন্যদিকে, লোভের কারণে এর বিপরীত প্রভাব তৈরি হয় এবং দাম বেড়ে যায়। এর কারণ হলো, বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী এখনও নিজেদের অনুভূতি ও আবেগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন। বেশিরভাগ ট্রেডার পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না।

এর ফলে, তথাকথিত শেয়ারবাজার-এর ভয় সূচকটি পাওয়া যায়। এই শব্দটি প্রথম চালু করে CNN। 1 থেকে 100-এর স্কেলে রেট করা 7টি ভিন্ন বিষয় ব্যবহার করে সূচকটি পরিমাপ করা যায়। বিষয়গুলো হলো:

  1. শেয়ারের দামের গতিবেগ।
  2. অ্যাসেটের দামের শক্তি।
  3. শেয়ারের দামের ব্যাপ্তি।
  4. পুট ও কল অপশন।
  5. নিরাপদ আশ্রয়ের চাহিদা।
  6. জাঙ্ক বন্ডের চাহিদা।
  7. বাজারের অস্থিরতা।

শেয়ারবাজারের ভয় ও লোভ সূচক নির্ধারণে এই প্রতিটি বিষয়ের গুরুত্ব সমান। অর্থাৎ, ভয়ের মাত্রা নির্ধারণের সময় প্রতিটি বিষয়ের ওজন সমান। এই বিষয়গুলোর প্রতিটির মান 50-এর বেশি হলে, বাজারে লোভই প্রধান চালিকাশক্তি—এমন পরিস্থিতি বোঝায়। মান 49-এর নিচে থাকলে, বাজারে ভয়ের পরিস্থিতি দেখা যায়। মান 50 হলে, পরিস্থিতিকে নিরপেক্ষ বলা যায়।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

শেয়ারবাজারের ভয় সূচক ব্যবহারের সুবিধা

গবেষকদের মতে, কেউ লোভ অনুভব করলে সাধারণত তিনি সাধারণ বুদ্ধিবিবেচনা একপাশে সরিয়ে রাখেন এবং পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারান। অবশ্য, ট্রেডাররা লোভ বা ভয়ের জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচরাচর তেমন জানেন না। তবে আমরা জানি, এই অনুভূতিগুলো সম্ভবত সবচেয়ে শক্তিশালী প্রেরণাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

মনে রাখুন: ঐতিহাসিকভাবে, বাজারের ভয় সূচক ইকুইটি বাজারে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সূচক হিসেবে কাজ করেছে।

বাজারে ভয়ের প্রভাবের ধারণাটি আচরণগত অর্থনীতির ধারণা দিয়েও সমর্থিত। এই ধারণা ব্যাখ্যা করে, বিনিয়োগকারীরা কীভাবে বাজার সম্পর্কে তাদের মনোভাব বদলে নিজেদের কৌশলের বিপরীতে কাজ করতে পারেন। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ একমত যে, বাজারের ভয় ও লোভ সূচক বাজারের মনোভাব শনাক্ত করতে এবং নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে একটি নির্ভরযোগ্য সরঞ্জাম। অভিজ্ঞ পেশাদাররা কেনার সুযোগ কাজে লাগাতে তথাকথিত ভয় ট্যাব রেখে রেকর্ড সংরক্ষণের পরামর্শ দেন।

সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বাজারের ভয় একটি সময়-পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য সূচক, যা আচরণগত অর্থনীতির ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
  • শেয়ার এবং অন্যান্য ইন্সট্রুমেন্টে ট্রেড করার সময় সঠিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে এই সূচক ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • সাপ্তাহিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে বিভিন্ন টাইম ফ্রেমে এই সরঞ্জামটি ব্যবহার করা যায়।
  • এটি পড়তে বেশ সহজ, তাই নতুনদের জন্য উপযোগী।

শেয়ারবাজারের ভয় সূচকের অসুবিধা

এই সরঞ্জামটি কখনোই কোনো টেকনিক্যাল টুলকিটে পাবেন না। অর্থাৎ, এটিকে বাজার বা বিনিয়োগ গবেষণার সরঞ্জাম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বাজারের অস্থিরতার ওপর নির্ভর করে ট্রেডারদের পদক্ষেপ নিতে এই সূচক প্রেরণা জোগায়, তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট ফল নিশ্চিত করে না।

সারসংক্ষেপ

কিছু সংশয়বাদী মনে করেন, বাজারের ভয় কোনো সূচক নয়; বরং বাজারে সঠিক সময় নির্ধারণের ব্যারোমিটার হিসেবে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তাদের মতে, এই পদ্ধতিতে কিনে ধরে রাখার কৌশলের তুলনায় কম রিটার্ন পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সরঞ্জামের কার্যকারিতা আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।