Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
বাজারের মনোভাব এমন একটি চালিকাশক্তি, যা চাহিদা ও সরবরাহকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি দামও সরাতে পারে। দামের ওঠানামার দিক অনুযায়ী মনোভাব বুলিশ বা বেয়ারিশ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, দাম কমলে মনোভাব বেয়ারিশ হতে পারে, আর দাম বাড়লে বুলিশ হতে পারে।
মনোভাব শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে ট্রেডাররা ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম বা ফ্রেমওয়ার্কে যুক্ত বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সূচক ব্যবহার করেন। পাশাপাশি, বাজারে প্রবেশ বা বের হওয়ার নির্ভরযোগ্য সংকেত আরও নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে তারা অতিরিক্ত টুল ও বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। কোনো বিনিয়োগকারী মনোভাব সঠিকভাবে বুঝতে পারলে তা সর্বোচ্চ রিটার্ন পেতে সাহায্য করবে।

এই নিবন্ধে আমরা শুধু বাজারের মনোভাবের অর্থ ব্যাখ্যা করব না, এটি বুঝতে ট্রেডাররা যেসব উল্লেখযোগ্য সূচক ব্যবহার করেন, সেগুলোও পর্যালোচনা করব।
বাজারের মনোভাব বলতে কোনো নির্দিষ্ট ইনস্ট্রুমেন্ট, অ্যাসেট বা সিকিউরিটি সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মেজাজ বা দৃষ্টিভঙ্গিকে বোঝায়। দামের গতিবিধি ও ওঠানামার ওপর নির্ভর করে ট্রেডারদের বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অনুভূতি বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সামগ্রিক বাজার-মনস্তত্ত্বকেও প্রতিফলিত করে।
সহজ করে বললে, দাম বাড়লে তা বুলিশ বাজার-মনোভাব নির্দেশ করে। দাম কমলে বাজারের মনোভাব বেয়ারিশ বলে বোঝায়। বাজারের মনোভাবের অর্থ ব্যাখ্যা করার সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা জরুরি, সেগুলো হলো:



“বিনিয়োগকারীদের মনোভাব” নামেও পরিচিত এই ধারণাটি ট্রেডিংয়ের মৌলিক বিষয়গুলোর একটি। এটি প্রযুক্তিগত সূচককে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষক ও ডে ট্রেডাররা নিয়মিত এটি ব্যবহার করেন। এর সাহায্যে তারা শুধু অ্যাসেটের দামের স্বল্পমেয়াদি ওঠানামাই নয়, মুনাফা ও সম্ভাব্য রিটার্নও পরিমাপ করতে পারেন। সাধারণত ফলাফল নির্ভর করে বিনিয়োগকারীদের সামগ্রিক মেজাজ এবং ট্রেড করা কোনো সিকিউরিটি সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।
একই সঙ্গে, বাজারের মনোভাব তথাকথিত বিপরীতমুখী বিনিয়োগকারীদের জন্য সহায়ক একটি টুল বলে মনে হয়। এই ট্রেডাররা সাধারণত বাজারের সামগ্রিক গতিপথের বিপরীতে ট্রেড করেন। অর্থাৎ, অধিকাংশ মানুষ কোনো অ্যাসেট কিনলে বিপরীতমুখী ট্রেডাররা সেটি বিক্রি করার সম্ভাবনাই বেশি।
বিশেষজ্ঞরা সাধারণত বাজারের মনোভাবকে বেয়ারিশ বা বুলিশ হিসেবে বর্ণনা করেন। ধারণাটি বেশ সহজ:
আর্থিক বাজার প্রায়ই অংশগ্রহণকারীদের আবেগ দ্বারা চালিত হয়। তবে আমরা বলতে পারি না যে বাজারের মনোভাব পুরোপুরি মৌলিক বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল, কারণ মৌলিক বিষয়গুলো মূলত ব্যবসার পারফরম্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, বাজারের মনোভাব কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগকারীরা অতিমূল্যায়িত ও অবমূল্যায়িত শেয়ার শনাক্ত করতে পারেন। বিভিন্ন টেকনিক্যাল (সেন্টিমেন্ট) ইন্ডিকেটরের সাহায্যে এটি করা যায়।
বাজারের মনোভাব পরিমাপ করতে এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বুলিশ নাকি বেয়ারিশ, তা বুঝতে নিচের নির্দেশকগুলো ব্যবহার করা যায়:
বাজারের মনোভাব পরিমাপের জন্য এগুলো মাত্র কয়েকটি উপায়। আপনি মুভিং অ্যাভারেজ বা অন্য নির্দেশকও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সব তথ্য একসঙ্গে বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে নির্দেশকগুলো সঠিকভাবে বুঝুন এবং মৌলিক বিষয় সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান রাখুন।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।