Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

জাপান ও চীন ছাড়া প্রধান বাজারগুলোতে বড়দিনের ছুটির কারণে বুধবার ট্রেডিংয়ের গতি কম ছিল। তবে ইয়েনকে রক্ষায় জাপানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ, Bank of Japan-এর সুদের হার বৃদ্ধি এবং PBoC-এর MLF-এর মাধ্যমে চীনের বাজারে তারল্য জোগানোর আলোচনা এশিয়ার বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি করেছে।
Atlanta Fed-এর GDPNow Model ও আঞ্চলিক কার্যকলাপের প্রতিবেদনসহ যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য-উপাত্তে দুর্বলতা দেখা গেছে, যা US Dollar-এ দরবৃদ্ধির প্রত্যাশীদের চাপে ফেলেছে। তবু, ফেডের কড়া নীতির পক্ষপাত Greenback-কে সপ্তাহের শেষে শক্ত অবস্থানে থাকতে সাহায্য করেছে, ফলে প্রধান মুদ্রা এবং অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ডের মুদ্রাগুলোর ওপর চাপ পড়েছে।
2024 সালের শেষ সক্রিয় ট্রেডিং দিনে শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম ঘুরে দাঁড়ালেও পরে কিছুটা লাভ হারিয়েছে। সোনার দাম সামান্য বেড়েছে, আর অপরিশোধিত তেলের দাম স্থিতিশীল ছিল।
ছুটির মৌসুমের আগে মার্কিন ডলারের শক্তি এবং ECB ও BoE-এর ডোভিশ অবস্থানের কারণে EURUSD ও GBPUSD চাপে পড়ে। জার্মানি ও ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, যুক্তরাজ্যের নতুন সরকারের ওপর আস্থার অভাব এবং দুর্বল অর্থনৈতিক তথ্যও এই পেয়ার দুটির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করে।
ইয়েনকে সমর্থন করার জন্য জাপানের প্রচেষ্টা এবং 2025 সালে ব্যাংক অব জাপানের সুদের হার বাড়ানোর পরিকল্পনা সত্ত্বেও USDJPY শক্তিশালী রয়েছে, কারণ Fed ও BoJ-এর নীতিগত ব্যবধান সংকুচিত হচ্ছে। অনিশ্চিত সময়ে বিনিয়োগকারীরা JPY-এর বদলে সোনা ও যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দিকে ঝুঁকছেন—বাজারের মনোভাবের এই পরিবর্তনও ইয়েন জুটির শক্তিকে সমর্থন করছে।
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও কানাডার ডলারের মতো পণ্য-নির্ভর মুদ্রাগুলো চাপের মুখে রয়েছে। সম্ভাব্য সুদের হার কমানোর আশঙ্কা এবং চীনের প্রণোদনা-সংক্রান্ত খবরের কারণে এগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। রাজনৈতিক উত্তেজনা, বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কা এবং ফেডের কঠোর নীতিগত অবস্থান AUDUSD ও NZDUSD-কে আরও প্রভাবিত করছে, আর USDCAD-কে সমর্থন জোগাচ্ছে।
মঙ্গলবার সামান্য বেড়ে লেনদেন শেষ করেছে সোনা। দিনের শুরুতে দাম কমলেও পরে তা ঘুরে দাঁড়ায়। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতির প্রভাবে ট্রেডাররা 2025 সালে শক্তিশালী বাজারের প্রত্যাশা করছেন। চীন ও ভারত থেকে বাড়তি চাহিদাও মূল্যবান ধাতুটিকে সমর্থন দিচ্ছে। 2010 সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক উত্থানের পথে রয়েছে সোনা।
যুক্তরাষ্ট্রের ডলার শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও ক্রুড অয়েল টানা তিন দিন বেড়েছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং চীনের প্রণোদনা-সংক্রান্ত খবর OPEC+ আলোচনা ও চাহিদা নিয়ে উদ্বেগের প্রভাব কিছুটা কমিয়েছে, ফলে বছরজুড়ে অয়েলের লোকসানও কমেছে।



সাম্প্রতিক দরপতন সত্ত্বেও, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির অধীনে সম্ভাব্য শিল্প সংস্কার নিয়ে আশাবাদে Bitcoin (BTCUSD) ও Ethereum (ETHUSD)-এর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, ETF-এ জোরালো অর্থপ্রবাহ ক্রিপ্টো ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখছে।
জাপান ও চীনের বাজারে কিছুটা কার্যক্রম চললেও, সপ্তাহের বাকি সময়ে পশ্চিমা বাজারগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ থাকায় বড় ধরনের ওঠানামার সুযোগ সীমিত। তবে 2025-এর দিকে ট্রেডারদের মনোযোগ যাওয়ার আগে বৃহস্পতিবারের US তথ্য-উপাত্ত এবং শুক্রবারের জাপানের মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। বাজার শান্ত থাকলে দামের অপ্রত্যাশিত উল্লম্ফন হতে পারে, তাই বর্তমান প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ট্রেড করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!