Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

মঙ্গলবার বাজারের মনোভাব অনিশ্চিত। ট্রেডাররা যুক্তরাজ্য, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন, আর চীন, কানাডা ও জার্মানিতে উত্তেজনা বাড়ছে। বুধবারের FOMC বৈঠকের আগে তারল্যও কম। প্রধান অর্থনীতিগুলোর PMI-ও দুর্বল।
নভেম্বরে চীন থেকে রেকর্ড $45.7 বিলিয়ন পুঁজি বেরিয়ে যাওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহে প্রভাব পড়ছে, যা অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মুদ্রা ও কমোডিটিকেও প্রভাবিত করছে।
এই পরিস্থিতিতে US Dollar ও Gold-এর গতি মন্থর রয়েছে, আর EURUSD ও GBPUSD পিছিয়ে পড়েছে। এদিকে, USDJPY-এর ছয় দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থেমেছে, আর অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রাগুলো বহু বছরের সর্বনিম্নের দিকে ফিরে গেছে। এছাড়া, Crude Oil-এ ঊর্ধ্বমুখী গতি নেই, শেয়ারবাজারে মিশ্র লেনদেন হচ্ছে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম সামান্য বাড়ছে।
মার্কিন ডলারের দর কমলেও EURUSD ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। মিশ্র PMI তথ্য এবং জার্মানির রাজনৈতিক অস্থিরতা—যেখানে চ্যান্সেলর Scholz অনাস্থা ভোটে হেরে গেছেন—ইউরোর দর বাড়ার পথে বাধা দিচ্ছে। ECB-র নমনীয় নীতির ইঙ্গিত এবং ইউরোজোনের দুর্বল অর্থনৈতিক সূচকও ইউরোর দর বাড়তে দিচ্ছে না।
জাপানের অর্থমন্ত্রী Bank of Japan-এর নমনীয় নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করায় USDJPY তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানে থেমে আছে।
যুক্তরাজ্যের PMI ডেটায় প্রবৃদ্ধি দুর্বল দেখা যাওয়ায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বড় দৈনিক বৃদ্ধির পর GBPUSD-এর দর কমেছে। এ সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর আগে অর্থনৈতিক উদ্বেগ এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সতর্ক অবস্থান পাউন্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
অস্ট্রেলিয়ায় সাপ্তাহিক ও বার্ষিক ভোক্তা আস্থা সূচক কমেছে, যা AUDUSD-এর ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এটি এখনও বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের 2025 সালে ঋণ ইস্যু বাড়ানোর উদ্বেগে NZDUSD-ও চাপে রয়েছে।
এদিকে, কানাডার রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তেলের দাম কমার আশঙ্কায় USDCAD শক্তিশালী রয়েছে। কানাডার বাজেট ঘাটতি বাড়তে থাকা এবং ব্যাংক অব কানাডার হতাশাজনক মন্তব্যও দরপতনের মনোভাবকে আরও জোরালো করছে।
চীনকে ঘিরে উদ্বেগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য প্রকাশের আগে সতর্ক মনোভাবের কারণে সোনার দাম চাপের মধ্যে রয়েছে। শেয়ারবাজারের মিশ্র অবস্থা এবং 2025 সালে ফেডের সুদের হার কমানোর গতি ধীর হবে—এমন প্রত্যাশাও সোনার আকর্ষণ কমাচ্ছে।



চীনের সমস্যা ও 2025 সালে OPEC+-এর উৎপাদন বাড়ার কারণে জ্বালানির চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামের ওপর চাপ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমে যাওয়ায় তেল ক্রেতাদের জন্য পরিস্থিতি আরও চ্যালেঞ্জিং হয়েছে।
Bitcoin (BTCUSD)-এর দাম রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি এবং Ethereum (ETHUSD) তিন বছরের সর্বোচ্চে থাকায় ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার চাঙ্গা রয়েছে। ট্রাম্পের প্রভাব এবং প্রাতিষ্ঠানিক আগ্রহ বাড়ার কারণে তৈরি হওয়া আশাবাদ বাজারের মনোভাবকে সমর্থন জোগাচ্ছে।
সামনে যুক্তরাজ্যের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি কানাডার মূল্যস্ফীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রির তথ্য বাজারের গতিতে প্রভাব ফেলতে পারে—তাই এগুলোতে নজর থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য হতাশাজনক হলেও GBPUSD-তে জোরালো উত্থানের সম্ভাবনা কম। Fed-এর মিশ্র সংকেতের মধ্যে US ডলার চাপের মুখে থাকতে পারে। অন্যদিকে, কানাডার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তেলের দুর্বল দামের কারণে USDCAD শক্ত অবস্থানে থাকতে পারে। FOMC-এর সুদের হারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ট্রেডাররা থাকায় সোনার দাম কিছুটা কমতে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!