Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

বৃহস্পতিবার বাজারে সতর্ক মনোভাব বজায় ছিল। ট্রেডাররা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের (BoE) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির তথ্য (কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স, CPI) এবং প্রাথমিক বেকারত্ব ভাতার আবেদনসংক্রান্ত তথ্যের অপেক্ষায় ছিলেন। বড় কোনো ঘটনা না থাকলেও, আগের দিন বাজারে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। ফেডারেল রিজার্ভের (Fed) পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা অনুমান করতে ট্রেডাররা হিমশিম খাচ্ছিলেন। এই অনিশ্চয়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের শেয়ারের দর কমে যায়, যা বৈশ্বিক বাজারে সতর্ক মনোভাব আরও জোরদার করে।
মুদ্রা বাজারে প্রধান FX রেটগুলো সংকীর্ণ পরিসরের মধ্যে ট্রেড করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক বৈঠক এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের ব্যস্ত 24 ঘণ্টার আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানই এর প্রতিফলন। অস্থিরতা কম ছিল, যা বাজারের অপেক্ষা করে দেখার মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়।
আঞ্চলিক শেয়ারবাজারগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটের দুর্বল দরপতন বাজারের মনোভাবে চাপ সৃষ্টি করেছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটজুড়ে সতর্ক অবস্থান জোরদার করেছে। অঞ্চলের বেশিরভাগ শেয়ারবাজারে দর কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট Trump এককালীন “ওয়ারিয়র ডিভিডেন্ড” হিসেবে সক্রিয় দায়িত্বে থাকা 1 মিলিয়নেরও বেশি মার্কিন সেনাসদস্যকে $1,776 দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর মোট পরিমাণ প্রায় $2.5 বিলিয়ন। এই আর্থিক প্রণোদনা স্বল্পমেয়াদে ভোগব্যয় বাড়াতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটিকে সীমিত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। Trump আরও বলেছেন, তিনি শিগগিরই এমন একজন নতুন Federal Reserve চেয়ার নিয়োগ করবেন, যিনি কম সুদের হার সমর্থন করেন। এই বক্তব্য নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে এবং বাজারের প্রত্যাশাকে প্রভাবিত করতে পারে।
বুধবার, যুক্তরাষ্ট্রে MBA মর্টগেজ আবেদনের সংখ্যা 4 মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। আগের 4.8%-এর তুলনায় তা কমেছে 3.8%। এরপর, ফেড গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার বলেন, শ্রমবাজার এখনও দুর্বল এবং বেতনভুক্ত কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে তেমন উন্নতি হয়নি। তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার সামান্য ওপরে থাকলেও আগামী কয়েক মাসে তা কমবে বলে তিনি আশাবাদী। পাশাপাশি, বড় অঙ্কে সুদের হার কমানোর বদলে ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি 4.798% ইল্ডে 20 বছর মেয়াদি $13 বিলিয়ন মূল্যের বন্ড বিক্রি করেছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার নিম্নমুখী হয়ে বন্ধ হয়েছে।
ইউরোপে নভেম্বরের চূড়ান্ত ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) বার্ষিক হিসাবে 2.1% হয়েছে, যা প্রাথমিক 2.2% পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য কম। ডিসেম্বরের জন্য জার্মানির Ifo বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্সও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। প্রত্যাশিত 88.2 থেকে কমে এটি 87.6-এ নেমেছে। তা সত্ত্বেও, ইউরোজোনের প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল হওয়ার লক্ষণ দেখানোয় ECB-এর নীতি অপরিবর্তিত রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
জাপানে বন্ডের ইল্ড বাড়তে থাকে, আর সবার নজর ছিল আসন্ন ব্যাংক অব জাপান (BoJ) বৈঠকের দিকে। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, অর্থনীতি এখনো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে থাকায় BoJ-এর উচিত আগেভাগে সুদের হার না বাড়ানো। জাপানি ইয়েন তুলনামূলকভাবে কিছুটা দুর্বল ছিল; USDJPY সামান্য বেড়ে প্রায় 150.80-এ পৌঁছায়। জাপানের মুখ্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারার সাম্প্রতিক কিছু মৌখিক মন্তব্যের পর এই দরপরিবর্তন দেখা যায়। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ বাজারের ওঠানামা, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি সুদের হারের গতিবিধি, নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কোনো জোরালো পদক্ষেপ বা সতর্কবার্তা না আসায় অনেকে এর অর্থ করেছেন, ইয়েনের দুর্বলতায় জাপান অস্বস্তিতে থাকলেও এখনো হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত নয়।
যুক্তরাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে। সামগ্রিক ও মূল—দুই ধরনের মুদ্রাস্ফীতির হারই পূর্বাভাসের তুলনায় কম ছিল। খাদ্যপণ্যের দাম এবং মূল পণ্যের দাম কমায় এমনটি হয়েছে; ব্ল্যাক ফ্রাইডে বিক্রির ছাড়ের প্রভাবও এর পেছনে থাকতে পারে। তবে পরিষেবা খাতের মুদ্রাস্ফীতি একগুঁয়েভাবে 4%-এর ওপরে রয়ে গেছে, যা আগামী কয়েক মাসে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের (BoE) জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হবে। বাজারের অংশগ্রহণকারীরা এখন আশা করছেন, আসন্ন বৈঠকে BoE সুদের হার 25 বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে 3.75% করবে। আগামী বছর আরও কমানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
নিউজিল্যান্ডে তৃতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের প্রান্তিকের তুলনায় 1.1% হয়েছে, যা 0.9% প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। ইতিবাচক তথ্য প্রকাশের পরও নিউজিল্যান্ড ডলারের প্রতিক্রিয়া ছিল সীমিত। কারণ, বাজারের নজর মূল্যস্ফীতি ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতির দিকে ছিল, যা ভবিষ্যৎ নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমেছে—1.274 মিলিয়ন ব্যারেল। পূর্বাভাস ছিল 1.066 মিলিয়ন ব্যারেল কমার। এতে অপরিশোধিত তেলের দামে সমর্থন জুগিয়েছে। সামগ্রিক বাজারের অনিশ্চয়তা থেকে সোনার দামও উপকৃত হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম প্রথমে বাড়লেও পরে কমে যায়।
10 সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মার্কিন ডলার সূচক (DXY)। এর ফলে প্রধান মুদ্রা জোড়াগুলোর দর কমেছে, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড ডলারের। এতে এই দুই মুদ্রার ওপরও চাপ পড়েছে। এদিকে, মার্কিন মজুত কমে যাওয়ায় সমর্থন পেয়ে অপরিশোধিত তেলের দাম পুনরুদ্ধার করেছে, আর বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে সোনার দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোকারেন্সির দর কিছুক্ষণের জন্য বাড়লেও পরে আবার কমেছে। ওয়াল স্ট্রিট নিম্নমুখী হয়ে বন্ধ হয়েছে, আর এশিয়ার বাজারগুলোও সামান্য পতনের মধ্য দিয়ে একই পথে হেঁটেছে।



EU ও জার্মানির হতাশাজনক ডেটা এবং US Dollar-এর পুনরুদ্ধার সত্ত্বেও, তিন মাসের সর্বোচ্চ থেকে ঘুরে গত দুই দিনে EURUSD-এর দরপতন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে ট্রেডাররা ECB-এর ঘোষণার অপেক্ষায় থাকায় ইউরোর (EUR) দরপতন থামে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে এবং আশাবাদী সুর নিতে পারে। তবে ঘোষণার আগে সতর্ক মনোভাব, ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ এবং জোটের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সম্প্রতি এই পেয়ারের ক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
যুক্তরাজ্যের হতাশাজনক মুদ্রাস্ফীতির তথ্য এবং দেশটির অর্থনৈতিক দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি মার্কিন ডলারের পুনরুদ্ধার আগের দিন GBPUSD-কে চাপে রেখেছিল। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেও এই জোড়াটি চাপের মধ্যে রয়েছে। ট্রেডাররা Bank of England (BoE)-এর সুদের হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন এবং সুদের হার কমানো ও ডোভিশ মন্তব্যের প্রত্যাশা করছেন।
এদিকে, শুক্রবার Bank of Japan (BoJ) সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন জল্পনা এবং জাপানি কর্মকর্তাদের মৌখিক হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও ইয়েন (JPY) ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারেনি। বরং ট্রেডাররা আরও হকিশ পদক্ষেপের আশায় পজিশন নিচ্ছেন।
সতর্ক মনোভাব ও USD-এর পুনরুদ্ধার AUD, NZD এবং CAD-সহ অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রাগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তবে, নিউজিল্যান্ডের GDP-র তথ্য, অপরিশোধিত তেলের দামের পুনরুদ্ধার এবং RBA-কে ঘিরে মিশ্র অবস্থান বিক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। এদিকে, দুই সপ্তাহের সর্বনিম্ন থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে AUDUSD-এর পাঁচ দিনের দরপতনের ধারা থেমেছে, তবে পুনরুদ্ধারের গতি নেই। NZDUSD এখনও চাপে রয়েছে—সম্ভবত বাজার আগামী কয়েক মাসে RBNZ-এর হকিশ পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে, কানাডার প্রধান রপ্তানি পণ্য অপরিশোধিত তেলের সংশোধনমূলক উত্থান এবং BoC গভর্নরের হকিশ মন্তব্যের মধ্যে USDCAD আগের দিনের তিন মাসের সর্বনিম্ন থেকে হওয়া পুনরুদ্ধার হারাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড অয়েলের মজুত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমে যাওয়া, ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তিচুক্তি নিয়ে নতুন কোনো তথ্য না আসা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে চলমান উত্তেজনা—সব মিলিয়ে WTI ক্রুড অয়েলকে 2021 সালের পর সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয় ধাক্কা দিয়েছে। তবে এই পুনরুদ্ধারে গতি নেই। বৃহস্পতিবারের শুরুতে সতর্ক বাজার পরিস্থিতির মধ্যে পণ্যটির দাম আরও বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে, চার দিনের ট্রেডিং রেঞ্জের মধ্যে ভালো পারফরম্যান্সের পরও সোনার দর আপাতত স্থির রয়েছে। ট্রেজারি বন্ডের ফলন বাড়তে থাকায় মূল্যবান ধাতুটির ওপর চাপ বজায় রয়েছে।
অস্থির একটি দিনের পর Bitcoin (BTC) এবং Ethereum (ETH)—দুটিই চাপের মুখে পড়ে। বড় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো শুরুতে ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত দরপতনের মধ্যে দিন শেষ করে। 2025 এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল অ্যাসেটের ওপর বাজারের আস্থার অভাব এতে প্রতিফলিত হয়েছে, যদিও শিল্পখাত থেকে কিছু ইতিবাচক খবর এসেছে।
শেয়ারবাজারে Dow Jones Industrial Average (DJI) 243.51 পয়েন্ট (-0.51%) কমে 47,870.75-এ নেমেছে। S&P 500 (SPX) 78.34 পয়েন্ট (-1.15%) কমে 6,721.92-এ দাঁড়িয়েছে, আর Nasdaq Composite 410.71 পয়েন্ট (-1.78%) কমে 22,700.75-এ নেমেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে Oracle—সেপ্টেম্বর থেকে যার দর প্রায় 50% কমেছে। অন্যদিকে, Micron Technology-এর শক্তিশালী আয় সামনে প্রযুক্তি খাতকে কিছুটা সমর্থন দিতে পারে।
বৃহস্পতিবারের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। এর মধ্যে নজর থাকবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (BoE) এবং ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ECB) মুদ্রানীতি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। এছাড়াও প্রকাশিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI), বেকারত্ব ভাতার আবেদন এবং ফিলাডেলফিয়া ফেড ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স।
বাজারের ঝুঁকির ধরনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং মার্কিন ডলারের ইতিবাচক গতির প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নমনীয় নীতির ইঙ্গিত ডলারের পুনরুদ্ধারকে আরও এগিয়ে নিতে পারে। ঝুঁকি-সম্পর্কিত কোনো ইতিবাচক খবর না এলে, ডলারের এই পুনরুদ্ধার ক্রিপ্টোকারেন্সি ও শেয়ারবাজারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
ECB-এর “হকিশ বিরতি” EURUSD ক্রেতাদের কিছুটা সমর্থন দিতে পারে, যদিও কারেন্সি পেয়ারটি টানা দুই দিন কমেছে। তবে Fed-এর তুলনায় ECB-এর ওপর বাজারের আস্থা কম থাকায়, ECB প্রেসিডেন্ট সতর্ক সুরে কথা বললে পেয়ারটির আরও দরপতন হতে পারে। এদিকে, BoE-এর সম্ভাব্য সুদের হার কমানো এবং সম্ভাব্য ডোভিশ মন্তব্যের কারণে GBPUSD-এর পতন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!