Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

আজকের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে বিশ্ববাজারে স্বাভাবিক সতর্কতা দেখা যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) ও যুক্তরাষ্ট্রের Q2-এর প্রাথমিক মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) তথ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ADP কর্মসংস্থান পরিবর্তন প্রতিবেদন। এ ছাড়া, 180 দিনের পর্যালোচনা শেষে হোয়াইট হাউস বিটকয়েন রিজার্ভ পরিকল্পনার পাশাপাশি তাদের ‘ক্রিপ্টো প্রতিবেদন’ প্রকাশ করবে। Meta, Microsoft, Apple এবং Amazon-এর গুরুত্বপূর্ণ আয়ের প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, যা ট্রেডারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াতে পারে।
এ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে যে US Federal Reserve (Fed) হয়তো সুদ কমানোর বিষয়ে Fed গভর্নর ওয়ালারের সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তনের প্রভাবে নরম অবস্থান নিয়ে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিতে পারে। কেউ কেউ মনে করেন, 2026 সালে জেরোম পাওয়েলের মেয়াদ শেষ হলে Fed চেয়ার পদে সমর্থন পেতে US প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন আদায়ের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে এই অবস্থান পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে।
ইতিবাচক দিক হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) 2025 ও 2026 সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও চীনের GDP পূর্বাভাসও উন্নত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য আলোচনা প্রত্যাশা অনুযায়ী শুল্কবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে শেষ হয়েছে। বিস্তারিত আজ প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে ট্রেজারি সেক্রেটারি ড. ব্রায়ান বাসেন্ট, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি অ্যাম্বাসেডর গ্রিয়ার এবং বাণিজ্য সচিব জিনা রাইমন্ডো আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী অবস্থানের প্রশংসা করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রশংসা করেছেন, তবে সুদের হার কমানো বা পাওয়েলকে বরখাস্ত করা নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছেন।
এদিকে, রাশিয়ায় ভূমিকম্প এবং হাওয়াইয়ে সুনামি বৈশ্বিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। ট্রাম্প ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক তথ্যে ভোক্তা আস্থা বেড়েছে, পণ্য বাণিজ্য ভারসাম্যের ঘাটতি কমেছে এবং JOLTS-এ চাকরির শূন্যপদের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। আটলান্টা ফেডের GDPNow এবং অগ্রিম পাইকারি মজুতের প্রতিবেদনও ইতিবাচক ছিল। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ সফলভাবে 7 বছর মেয়াদি বন্ড নিলাম করেছে। এতে চাহিদা বেড়েছে এবং বন্ডের ইল্ড কমেছে, যা মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী থাকতে সাহায্য করেছে।
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে, যার মধ্যে বাণিজ্য-সম্পর্কিত প্রতিকূলতাও রয়েছে, অভ্যন্তরীণ ভোগ বাড়াতে আরও আর্থিক সহায়তার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন চীনের অর্থমন্ত্রী লান ফো’আন। ইউরোপে, জার্মানির অর্থনীতিমন্ত্রী রবার্ট হাবেক EU-US বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন, অন্যদিকে EU-এর এক বছরের মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা কমেছে। ECB-এর সদস্য গ্যাব্রিয়েল মাখলুফ বলেছেন, সহজীকরণ চক্র নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন ‘অপেক্ষা করে পরিস্থিতি দেখার’ পর্যায়ে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যে জুন মাসে মর্টগেজ অনুমোদনের সংখ্যা বেড়ে 64.17K হয়েছে, যা প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) চার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ধীর গতিতে বেড়েছে। কোর CPI তিন বছরের সর্বনিম্নে নেমে যাওয়ায় আগস্টে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার (RBA) সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বেড়েছে। নিউজিল্যান্ডের ANZ Business Survey-তে ব্যবসায়িক আস্থা শক্তিশালী থাকলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দুর্বল দেখা গেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, চীনা বিনিয়োগকারীরা Gold ETF থেকে অর্থ সরিয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ করেছেন। এদিকে, প্রত্যাশিত মজুত হ্রাসের বদলে API-এর তথ্য অনুযায়ী US-এ সাপ্তাহিক তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছে।
এর ফলে, US Dollar Index (DXY) টানা চার দিন বেড়ে মাসিক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, এরপর বুধবার দিনের শুরুতে কিছুটা কমে যায়। ডলারের এই পতনে সোনা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেরেছে, আর প্রধান মুদ্রাগুলোর দর আগের সপ্তাহের তীব্র পতনের পর স্থিতিশীল হয়েছে। দুর্বল মূল্যস্ফীতির তথ্যের কারণে AUDUSD চাপে ছিল, অন্যদিকে NZDUSD সামান্য শক্তি দেখিয়েছে। USDCAD পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নেমেছে; সাম্প্রতিক উত্থানের পর তেলের দামে অস্থিরতা দেখা গেছে। বড় কোম্পানিগুলোর আয় প্রকাশের আগে শেয়ারবাজারে সামান্য পতন হয়েছে, আর সতর্ক বাজার-মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে বন্ডের ইল্ড চাপে থেকেছে।
Fed-এর আগে বিরতির মধ্যে EURUSD 5 সপ্তাহের সর্বনিম্ন থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং টানা 4 দিনের দরপতনের ধারা ভেঙেছে। তবে আরও বাড়ার গতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। EU-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া, EU-এর দুর্বল তথ্য, ECB-এর নরম নীতির ইঙ্গিত এবং বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে, জার্মানি ও EU-এর দ্বিতীয় প্রান্তিকের GDP এবং EU-এর ভোক্তা আস্থা প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হলে পুনরুদ্ধার শুরু হতে পারে—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য দুর্বল হলে, যদিও এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। Fed নরম নীতি নিলে মার্কিন ডলারের ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। এতে ইউরোজোন থেকে ইতিবাচক খবর সীমিত হলেও EURUSD-এর এই পুনরুদ্ধার ধরে রাখতে সহায়তা হতে পারে।



যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নতুন তথ্য কম এবং সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের তথ্য মিশ্র হওয়া সত্ত্বেও, মূলত মার্কিন ডলারের দুর্বলতার কারণে GBPUSD 10 সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে এবং টানা চার দিনের দরপতনের ধারায় বিরতি এসেছে। বাণিজ্য নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ থাকলেও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (BoE) বড় ধরনের সুদের হার কমানো থেকে বিরত থাকতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্রিটিশ পাউন্ডকে (GBP) সহায়তা করতে পারে। BoE কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যেও এই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, আগের দিন দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পরও USDJPY চাপে রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান বাণিজ্য চুক্তি নিজ দেশেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে, আর জাপানের তথ্যও খুব ইতিবাচক নয়। তা সত্ত্বেও, 2025 সালে Bank of Japan (BoJ)-এর সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা সম্প্রতি কিছুটা বেড়েছে, যা ইয়েন জুটিকে USD-এর দরপতন থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা নিতে সাহায্য করছে। ইয়েনের প্রচলিত নিরাপদ আশ্রয়ের মর্যাদাও USDJPY-র ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
পাঁচ দিনের মধ্যে প্রথমবারের মতো দৈনিক দরবৃদ্ধি পেয়েছে AUDUSD। তবে অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রাস্ফীতির তথ্য থেকে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া (RBA) সুদের হার কমাতে পারে বলে ইঙ্গিত মেলায় ঊর্ধ্বমুখী গতি দুর্বলই রয়েছে। এদিকে, নিউজিল্যান্ডের ANZ Business Survey-এর মিশ্র ফলাফলের সমর্থনে চার দিনের দরপতনের পর NZDUSD সামান্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে, যদিও ক্রেতারা সতর্ক রয়েছেন।
কানাডার মুদ্রাস্ফীতির তথ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ঘটনার আগে USDCAD পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তর থেকে পিছিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডলার দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি চীনের আরও প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা এবং ক্রুড অয়েলের চড়া দাম USDCAD-এর ঊর্ধ্বগতি কমাতে সাহায্য করছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য সংঘাতের আশঙ্কা কানাডিয়ান ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে এর শক্তি সীমিত করছে।
তিন সপ্তাহের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পর সোনার দাম প্রায় $3,325-এ স্থিতিশীল রয়েছে। মার্কিন ডলারের দরপতন সত্ত্বেও দামে জোরালো প্রতিক্রিয়া না দেখা যাওয়ার কারণ হতে পারে, জুলাইয়ে চীনা বিনিয়োগকারীরা শেয়ারে বিনিয়োগের জন্য Gold ETF থেকে বিপুল অর্থ তুলে নিয়েছেন। এ ছাড়া, দামে সম্ভাব্য টেকনিক্যাল পতনের আশঙ্কাও XAUUSD ক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
এদিকে, API-এর শিল্প জরিপ অনুযায়ী, সাপ্তাহিক মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বাড়লেও ক্রুড অয়েলের দাম 10 সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। 10 দিনের মধ্যে মস্কো ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছালে রুশ তেল কেনা দেশগুলোর ওপর ভারী শুল্ক আরোপের ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর এই উল্লম্ফন দেখা যায়। OPEC+ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা বজায় রাখার ঘোষণা দিলেও তেলের দাম তাতে কর্ণপাত করেনি।
এই সপ্তাহে বেশিরভাগ সময় দরপতনের পর Bitcoin (BTCUSD) ও Ethereum (ETHUSD) কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর গতিতে মার্কিন ডলারের শক্তির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে আজ হোয়াইট হাউসের “Crypto Report” এবং “Bitcoin Reserve” পরিকল্পনা প্রকাশের আগে বাজারে সতর্ক মনোভাবও ফুটে উঠছে। উল্লেখ্য, US Securities and Exchange Commission (SEC) অনুমোদিত অংশগ্রহণকারীদের Exchange-Traded Product (ETP)-এর শেয়ার নগদে নিষ্পত্তি করার বদলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টো সম্পদের সঙ্গে বিনিময়ের অনুমতি দিয়েছে। এতে ETP তৈরি ও রিডিম করার প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে। তবে সামগ্রিক মনোভাব সতর্ক থাকায় এই খবরে ক্রিপ্টো ক্রেতাদের মধ্যে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
সামনে, গুরুত্বপূর্ণ Federal Open Market Committee (FOMC) ঘোষণার আগে ট্রেডাররা জার্মানি, EU ও যুক্তরাষ্ট্রের Q2 GDP-এর প্রাথমিক তথ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ADP Employment Change এবং কানাডার মূল্যস্ফীতির তথ্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। হোয়াইট হাউসের “Crypto Report” প্রকাশ এবং Amazon, Meta, Apple ও Microsoft-এর মতো বড় কোম্পানির Q2 আয়ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে।
শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে আগাম কেনাকাটার কারণে GDP-এর পরিসংখ্যানে ইতিবাচক ফল দেখা যেতে পারে। তবে এগুলো Fed-এর পদক্ষেপের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার জন্য মুদ্রাবাজারকে প্রস্তুত করতে পারে। US Dollar-এর আরও বাড়ার সম্ভাবনা কম, কারণ Federal Reserve সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। Waller-এর মতো কিছু নীতিনির্ধারক ইতিমধ্যেই সুদের হার কমানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। FOMC-এর বিবৃতি অতিরিক্ত ডোভিশ হলে US Dollar-এর ওপর বিক্রির চাপ আরও বাড়তে পারে, ফলে প্রধান মুদ্রা, সোনা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেতে পারে।
শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো পূর্বাভাস পূরণ বা ছাড়িয়ে গেলে এবং Fed-এর বিরতি নিয়ে নরম অবস্থানের পূর্বাভাসের সঙ্গে মিল থাকলে শেয়ারের দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং নতুন উচ্চতায়ও পৌঁছাতে পারে।
সব মিলিয়ে, গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে ঠাসা দিনটি বড়সড় ও অস্থির হতে পারে, তাই ট্রেডারদের সতর্কতার সঙ্গে এগোনো উচিত।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!