Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

ঋণের সীমা বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা সফল হওয়ায় বুধবার দিনের শুরুতে বাজারে সতর্ক আশাবাদ দেখা দেয়। চীনের আরও বিনিয়োগে আগ্রহও এই ইতিবাচক মনোভাবকে জোরদার করতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী অর্থনৈতিক তথ্য, Fed নীতিনির্ধারকদের কঠোর অবস্থানের মন্তব্য এবং জুনের শুরুতে সময়সীমার আগে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ঋণখেলাপি হওয়া এড়াবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব আশাবাদীদের উদ্বিগ্ন করছে।
এর ফলে, ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড টানা তিন দিন বাড়ার পর চাপের মুখে পড়লেও মার্কিন ডলার আগের দিনের পুনরুদ্ধার ধরে রাখতে পেরেছে। ফলে, দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেও USDJPY জাপানের প্রথম প্রান্তিকের ইতিবাচক GDP এবং বন্ডের কম ইল্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি।
তবে, G10 মুদ্রাজোড়াগুলোর মধ্যে GBPUSD-এর দর সবচেয়ে বেশি কমেছে। মঙ্গলবারের দুর্বল UK কর্মসংস্থান প্রতিবেদন এবং ইতিবাচক US তথ্য প্রকাশের পর থেকে এর দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, সোনার দাম স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাচ্ছে না। বাজারের অনিশ্চয়তা এবং শক্তিশালী US ডলারের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চাপে রয়েছে।
ডলার আরও শক্তিশালী হওয়ায় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোও চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে, আরও কঠোর নিয়মকানুন ও মন্দার আশঙ্কায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কয়েকটি বড় পজিশন থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং হাউস স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির মধ্যে সংক্ষিপ্ত একটি বৈঠকই জুনের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ঋণের অর্থ পরিশোধে খেলাপি হতে পারে—বাজারের এই উদ্বেগ কমানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। তবে বৈঠক নিয়ে বিস্তারিত খুব বেশি জানা যায়নি। ঋণের সীমা বাড়ানোর বিনিময়ে নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে কয়েকজন নীতিনির্ধারক আশাবাদকে সমর্থন করেননি। ফলে পরে এই আশাবাদে ধাক্কা লাগে।
মোটামুটি ইতিবাচক মনোভাবের কারণে ঝুঁকির সূচক USDJPY জুটি টানা পঞ্চম দিনের মতো বাড়ছে এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, জাপানের Q1 GDP-এর প্রাথমিক পরিসংখ্যান ইতিবাচক চমক দিলেও, BoJ-এর নরম অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ এবং ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতার মধ্যে JPY-তে দরবৃদ্ধির প্রত্যাশীদের তেমন আশ্বস্ত করতে পারেনি। অন্যদিকে, গত সপ্তাহের নরম অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া সুদের হার বৃদ্ধির পর বাজারকে আশ্বস্ত করতে BoE নীতিনির্ধারকদের ব্যর্থতার পাশাপাশি দুর্বল UK তথ্যের কারণে GBPUSD চাপে রয়েছে।
উল্লেখ্য, Fed নীতিনির্ধারকদের উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান এবং মূল্যস্ফীতির উদ্বেগের উল্লেখের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Joe Biden-এর সংক্ষিপ্ত এশিয়া-প্যাসিফিক সফর—এই বিষয়গুলো অঞ্চলটির শেয়ারবাজারে চাপ সৃষ্টি করছে এবং ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের শেয়ারবাজারের জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
বাজারে আরও ঊর্ধ্বগতির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় এবং আসন্ন মার্কিন নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিয়ে অব্যাহত অনিশ্চয়তার মধ্যে BTCUSD ও ETHUSD সপ্তাহের শুরুর আশাবাদ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
দিনের শুরুটা আকর্ষণীয় হলেও, বড় কোনো তথ্য বা ইভেন্ট না থাকায় বাজারে তেমন নড়াচড়া হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবু কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঋণখেলাপি হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা ইন্ট্রাডে ট্রেডারদের আগ্রহ ধরে রাখতে পারে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের আবাসনবাজারের তথ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল্যস্ফীতির চূড়ান্ত পরিসংখ্যান আজ প্রকাশিত হওয়ার কথা।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!