Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

আরও Fed সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা কমে আসায় বাজারে সতর্ক আশাবাদ বজায় রয়েছে। তবে ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে সতর্ক মনোভাবও বিরাজ করছে। ইতিবাচক দিকগুলোর মধ্যে ছিল চীনের আশাব্যঞ্জক PMI এবং যুক্তরাজ্যের চতুর্থ প্রান্তিকের GDP-এর চূড়ান্ত পরিসংখ্যান। তবে জার্মানির খুচরা বিক্রিতে পতন, সুইজারল্যান্ডের প্রকৃত খুচরা বিক্রিতে দুর্বলতা এবং Fed-এর হকিশ বক্তব্য সেই আশাবাদকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে, US Dollar সাপ্তাহিক সর্বনিম্নের কাছাকাছি ক্ষতি সামলে উঠছে, আর সোনা ও অপরিশোধিত তেলের দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে।
উল্লেখ্য, কোয়ার্টারের শেষের দিকের লেনদেনে ট্রেডাররা JPY পজিশন কমানোর সুযোগ পাওয়ায় প্রধান কারেন্সি পেয়ারগুলোর মধ্যে USDJPY-এর দর সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। একইভাবে, নিজ দেশের দুর্বল ডেটা এবং RBA-এর নরম নীতির প্রত্যাশার চাপে রয়েছে AUDUSD। EURUSD, GBPUSD ও USDCHF-এর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের সাম্প্রতিক প্রত্যাবর্তনের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, অপরিশোধিত তেলের সাপ্তাহিক উত্থান থেমে স্থিতিশীল হওয়ায় USDCAD-এর দর বাড়ছে।
এদিকে, জাপান বাদে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বেশির ভাগ শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। S&P 500 ফিউচার্সেও সামান্য লাভ দেখা গেছে, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের শেয়ারবাজারেও তাই।
SEC চেয়ারম্যান BTCUSD ও ETHUSD ট্রেডারদের জন্য কঠিন সময়ের ইঙ্গিত দেওয়ায় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোও কনসোলিডেশনে রয়েছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



ব্যাংকিং সংকট কাটিয়ে ওঠার আশা এবং Fed, RBA ও ECB-সহ প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কঠোর নীতির পক্ষে বাজি কমে আসায় ট্রেডাররা আশাবাদী থাকতে পারেন। আজ EU/US-এর মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান প্রত্যাশার চেয়ে কম এলে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের দাম আরও বাড়তে পারে—এমনটাই বেশি সম্ভাব্য। প্রধান অর্থনীতিগুলোর সাম্প্রতিক তথ্যও এই ইতিবাচক মনোভাবকে জোরালো করছে, কারণ সেগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতিগুলোতে মূল্যচাপ কমার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
তা সত্ত্বেও, মূল্যস্ফীতি কমতে না চাইলে নীতিনির্ধারকেরা সুদের হার বাড়াতে প্রস্তুত রয়েছেন, ফলে ট্রেডারদের সতর্ক থাকতে হচ্ছে। কর্মকর্তারা বারবার ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে ব্যাংকিং সংকট কেবল প্রশমিত হয়েছে। তাই সামনে একের পর এক বড় ধরনের দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এতে ঝুঁকি নেওয়ার মনোভাবেও চাপ তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা এবং রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কাকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উদ্বেগও ইতিবাচক মনোভাবকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
তাই, আজকের মুদ্রাস্ফীতির তথ্যই বাজারের দিক স্পষ্ট করার মূল চাবিকাঠি হবে।
ব্যাংক খাতের সমস্যা ও ভূরাজনৈতিক আশঙ্কাও রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারকদের পদক্ষেপ নেওয়ার গতি কমে আসছে বলে মনে হচ্ছে, তাই মূল্যস্ফীতির চাপ কমলে বাজারের আশাবাদ বাড়তে পারে। এর ফলে মার্কিন ডলার দুর্বল হতে পারে এবং তেল ও সোনার দাম বাড়তে পারে। এ কারণে আজকের EU HICP, CPI এবং US Core PCE Price Index নিয়ে বাজারে আলোচনা তুঙ্গে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!