Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজার ২০২০ সালে রেকর্ড করা সর্বনিম্ন স্তরের দিকে আবার এগোচ্ছে। এদিকে, দ্রুত সুদের হার বৃদ্ধি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট, চীনের কোভিডবিরোধী ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ঘটনার কারণে বাজারের মনোভাবে চাপ পড়ছে।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ড মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সূচকযুক্ত ঋণপত্র কেনা শুরু করার ঘোষণা দেওয়ায় ব্রিটিশ বন্ডবাজার কিছুটা স্বস্তির সময় পেয়েছে। তবে বন্ডের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এই বিরতি যথেষ্ট ছিল না। একই সময়ে ইউরোপের শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে, বাজারজুড়ে দরপতন হয়েছে।
এশিয়া-প্যাসিফিকের শেয়ারবাজারও এর ব্যতিক্রম নয়। সেখানেও দরপতন হয়েছে, ফলে বাজার 2 বছরের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গেছে। জাপানের বাইরে শেয়ারের দাম 2% কমেছে। এর পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বিধিনিষেধ, যা চীনা চিপ নির্মাতা এবং প্রযুক্তি খাতের শেয়ার ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রমাগত চাপে ফেলছে। এতে শুধু চীনের শেয়ারবাজারই নয়, দেশটির প্রযুক্তিগত উন্নয়নও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।



ওয়াল স্ট্রিটও সমস্যার মুখে। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার ফিউচার ট্রেডের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আবারও বাজার নিচের দিকে খুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত, MSCI-এর বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজার সূচক 0.5% কমেছে। সূচকটি 2020 সালের সর্বনিম্ন স্তরের কাছাকাছি নেমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার গুরুতর অর্থনৈতিক মন্দার দিকে এগোচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে আর্থিক নীতি আরও কঠোর করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই, যা শেয়ারবাজারের জন্য নেতিবাচক ফল বয়ে আনবে।
দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ থেকে পরিস্থিতি হয়তো ততটা খারাপ নয়। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, আগামী কয়েক মাস কঠিন হতে চলেছে। উদীয়মান বাজারের শেয়ারগুলোও সমস্যায় পড়েছে এবং 2020 সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে যাচ্ছে। 2008 সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের সময়ের তুলনায়ও দাম আরও নিচে নেমেছে।
এ পরিস্থিতিতে, বিনিয়োগকারীদের উচিত তাঁদের পোর্টফোলিও সঠিকভাবে সাজানো এবং বৈচিত্র্যময় রাখা। এ ছাড়া, আগের বাজার ধসের সময় ট্রেডারদের টিকে থাকতে সাহায্য করেছে—এমন পরীক্ষিত কৌশল ব্যবহার করাই ভালো। একজন বিশেষজ্ঞকে বেছে নিয়ে তাঁর ট্রেড অনুসরণ করতে কপি ট্রেডিং ব্যবহার করুন, যাতে শুধু আপনার মূলধন রক্ষা নয়, সম্পদও বাড়ানো যায়।