Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

মন্দার আশঙ্কার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের কৌশল আরও তীব্র হওয়ায় বিভিন্ন বাজারে ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ বেড়েছে। এদিকে, দুর্বল অর্থনৈতিক তথ্য সত্ত্বেও প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার আরও বাড়াতে পারে—এমন সম্ভাবনা জাপান ও চীনের মতো কিছু দেশের কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব মুদ্রার পক্ষে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে।
ফলে মার্কিন ডলারের দর ধীরে ধীরে বাড়ছে। পণ্যদ্রব্য ও অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রার মতো তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো সাম্প্রতিক লোকসান কিছুটা পুষিয়ে নিলেও চাপের মুখে রয়েছে।
এদিকে, সোনার দামে পাঁচ দিনের মধ্যে প্রথম দৈনিক দরপতন হয়েছে, আর ব্রেন্ট তেল আগের দিনের বড় দরবৃদ্ধির পর স্থিতিশীল হচ্ছে। উল্লেখ্য, বাজার যখন Fed-এর কার্যবিবরণীর অপেক্ষায়, তখন EURUSD-এ ক্রেতাদের প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে; বিপরীতে রয়েছে USDCAD।
অন্যদিকে, আগের দিন ক্রিপ্টো বেয়ারদের বিভ্রান্ত করার পর BTCUSD ও ETHUSD নতুন ইঙ্গিত খুঁজছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের নতুন দফার বাণিজ্যিক বিধিনিষেধের খবরের মধ্যে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী Vladimir Putin-এর বৈশ্বিক মন্দার পূর্বাভাস প্রশংসা পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। চীনের দুর্বল PMI এবং CNY-কে সমর্থন দিতে PBoC-এর ব্যর্থ প্রচেষ্টা, পাশাপাশি জাপানি কর্তৃপক্ষের JPY-কে সমর্থন দেওয়ার উদ্যোগ—এসবের সঙ্গে মিলিয়ে বাজারের মনোভাব আরও খারাপ হচ্ছে। এ ছাড়া, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড 40 বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় ইনভার্সন দেখাচ্ছে, যা অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার এবং বেশিরভাগ শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতির দুর্বল পরিসংখ্যানও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কঠোর নীতি দীর্ঘদিন বহাল থাকলে বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার আরও কাছাকাছি চলে যেতে পারে।
আজ যুক্তরাষ্ট্রের FOMC সভার কার্যবিবরণী প্রকাশের আগে সতর্ক মনোভাব এবং মঙ্গলবারের যুক্তরাষ্ট্রের ছুটির পর পূর্ণাঙ্গ বাজার আবার চালু হওয়াও ঝুঁকি-বিমুখ মনোভাব বাড়িয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দরপতনের একটি সীমা তৈরি হয়েছে, পাশাপাশি গোল্ড ও ক্রুড অয়েলের দামের ওপর চাপ পড়েছে। লক্ষণীয়, সৌদি আরব ও রাশিয়া আরও সরবরাহ কমানোর পক্ষে থাকলেও তা জ্বালানি ক্রেতাদের সমর্থন জোগাতে পারেনি।
অন্যদিকে, বাজার বিশ্লেষকেরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের বিষয়ে সতর্ক করছেন। এর ফলে BTCUSD ও ETHUSD-এর দাম কমতে শুরু করেছে। কঠোর নিয়মকানুনের আশঙ্কা এবং NFT-এর দরপতনও ক্রিপ্টোপ্রেমীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজারের অংশগ্রহণকারীরা জুনের FOMC minutes, EU PPI এবং ইউরোজোন ও যুক্তরাজ্যের PMI-এর চূড়ান্ত পরিসংখ্যানের দিকে নজর রাখলেও, মন্দার আশঙ্কার মধ্যে এসব তথ্য ট্রেডারদের আগ্রহের বিষয় হতে পারে। Fed Minutes-এ আরও সুদের হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত না থাকলে ঝুঁকি-বিমুখতা কমতে পারে এবং এতে মার্কিন ডলারের দামে চাপ পড়তে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!