Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

যুক্তরাষ্ট্রের হতাশাজনক অর্থনৈতিক তথ্য এবং FOMC-এর কার্যবিবরণী ট্রেডারদের ইতিবাচক একটি সপ্তাহের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করেছে, যদিও করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ আশাবাদ কমানোর চেষ্টা করেছে। তবে ছুটির কারণে সংক্ষিপ্ত এই সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মন্তব্যও বাজারকে সহায়তা করেছে। তাঁদের মন্তব্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, সুদের হার বাড়ানোর ক্ষেত্রে আগ্রাসী পদক্ষেপের সম্ভাবনা কম। পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উদ্বেগও কমেছে। ফলে, কম ট্রেডিংয়ের মধ্যেও সপ্তাহের শেষটা ইতিবাচক হতে পারে বলে মনে হচ্ছে।
এর ফলে মার্কিন ডলারের আকর্ষণ কমেছে, যা গত সপ্তাহের দরপতনের পর অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রা ও কমোডিটিগুলোতে ক্রেতাদের ফিরে আসতে সাহায্য করেছে।
এতে গোল্ডের ক্রেতারা উপকৃত হয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক দরপতনের পরও ক্রুড অয়েল টানা তৃতীয় সপ্তাহের দরপতনের পথে রয়েছে।
প্রধান কারেন্সি পেয়ারগুলোর মধ্যে NZDUSD সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এরপর রয়েছে GBPUSD ও AUDUSD। এদিকে, জাপানে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় USDJPY-ও দরপতনের মুখে পড়েছে। এতে BOJ তাদের অতি-শিথিল মুদ্রানীতি পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
FTX-সংক্রান্ত ধাক্কা সামলে ট্রেডাররা BTCUSD ও ETHUSD-তে সামান্য লাভের আশা করছেন। সাম্প্রতিক লোকসান সত্ত্বেও, দুর্বল মার্কিন ডলার বিক্রেতাদের চাপে রেখেছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



উচ্চ সুদের হারের আশঙ্কা কমা এবং রাজনৈতিক হতাশা প্রশমিত হওয়ায় ট্রেডাররা আশাবাদী রয়েছেন এবং বছরশেষের উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে মনে রাখা দরকার, বাজারে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে, কারণ ট্রেডাররা ফেডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। ফেডের সিদ্ধান্তের আগে উদ্বেগের পাশাপাশি করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত পরিস্থিতিও ক্রেতাদের মনোভাব পরীক্ষা করতে পারে। RBNZ-এর কড়া অবস্থানের পক্ষের সদস্যদের মন্তব্য এবং তাইওয়ান-সম্পর্কিত আলোচনা নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে।
সব মিলিয়ে, মৃদু আশাবাদ বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর ফলে ট্রেডাররা নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ান ডলার, গোল্ড ও শেয়ারের মতো তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের দিকে ঝুঁকতে পারেন। একই সময়ে, 2014 সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক লাভের কিছুটা হারাতে পারে মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, বেশি রিটার্নের আশায় বন্ড ট্রেডারদের তৎপরতায় মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড আরও শক্তিশালী থাকতে পারে।
ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর অবস্থা ভালো নয় এবং সম্প্রতি সাপ্তাহিক লাভের পথে থাকলেও সেগুলোর দর কমছে। এর কারণ FTX-এর বিপর্যয় এবং আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপের আশঙ্কা হতে পারে। ফলে, BTCUSD ও ETHUSD সামান্য ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে।
অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তেমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য না থাকা এবং ছুটির মৌসুম তাৎক্ষণিক বাজারের ওঠানামা সীমিত করতে পারে। প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে মিশ্র উদ্বেগও বাজারের কার্যকলাপ সীমিত করছে। তা সত্ত্বেও, আগে উল্লেখ করা সতর্ক আশাবাদের কারণগুলো আপাতত প্রভাবশালী থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রেন্ডের সুবিধা নিন এশিয়া-প্যাসিফিকের সেরা ব্রোকার-এর সঙ্গে। আমরা চমৎকার ট্রেডিং শর্ত, উন্নত মানের Copy Trade পরিষেবা এবং বহু পুরস্কারজয়ী IB রেফারেল প্রোগ্রাম দিই।
MTrading-এর সঙ্গে নিরাপদে ট্রেড করুন এবং উপভোগ করুন সবচেয়ে অনুকূল ট্রেডিং শর্ত!
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!