Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

শুক্রবারের শুরুর দিকে সতর্ক আশাবাদ দেখা যাচ্ছে। আগের দিনের ECB-এর পদক্ষেপের পর বাজারের অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বের প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কঠোর মুদ্রানীতি প্রত্যাশার চেয়ে শিগগির শেষ হতে পারে বলে মনে করছেন। তা সত্ত্বেও, শক্তিশালী মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীনের উত্তেজনা নিয়ে নতুন উদ্বেগ মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী করছে ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদগুলোকে চাপে ফেলছে। তবে যুক্তরাজ্য ও জার্মানির শেয়ারবাজার এবং এশিয়ার শেয়ারগুলো এর ব্যতিক্রম।
অন্যদিকে, AUDUSD 1.0%-এর বেশি কমে মাসিক সর্বনিম্নের কাছাকাছি পৌঁছেছে, আর NZDUSD-ও একই পথে চলছে। এদিকে, EURUSD টানা তিন দিন লোকসানে রয়েছে এবং চার সপ্তাহের মধ্যে প্রথম সাপ্তাহিক লোকসানের মুখে—জার্মানির GDP, মুদ্রাস্ফীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির ইঙ্গিতের জন্য অপেক্ষা করছে।
নীতি বিবৃতিতে বোর্ডের YCC নীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত এবং বন্ড ইল্ডের উত্থানের কারণে BoJ-এর নিষ্ক্রিয়তাকে ন্যায্যতা দিতে হিমশিম খাচ্ছে USDJPY।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও গোল্ড ও ক্রুড অয়েলের দাম সামান্য ইতিবাচক রয়েছে। অন্যদিকে, সপ্তাহের শুরুর আশাবাদ আগের দিন ম্লান হওয়ার পর BTCUSD ও ETHUSD চাপে রয়েছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত প্রকাশের অপেক্ষায় EURUSD বাজারের নজর কেড়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার খুচরা বিক্রি ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের PPI দুর্বল হওয়ায় AUDUSD এক মাসের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় দৈনিক পতন নথিভুক্ত করেছে এবং এতে RBA-র নমনীয় নীতির ধারণা জোরদার হয়েছে—যা বিক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। এদিকে, YCC-তে পরিবর্তন আসার আশঙ্কা বাজারে থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের ব্যাপক শক্তি ও বাড়তি বন্ড ইল্ডের মধ্যে USDJPY দিয়ে BoJ-এর নিষ্ক্রিয়তার পক্ষে যুক্তি দেওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, শেয়ারবাজার শক্ত অবস্থানে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে অস্থির রয়েছে। ট্রেডাররা কঠোর নীতির দ্রুত অবসানের প্রত্যাশা করছেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী তথ্য ডলারের পক্ষে ফেডের সুদের হারসংক্রান্ত বাজিকে জোরদার করছে। পাশাপাশি, Bitcoin ও Ethereum নিয়ন্ত্রণে কঠোর নিয়ম আরোপে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের উদ্যোগের চাপ সামলাচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো, যদিও শিল্পের নেতারা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন।
চীনের উদ্বেগ ও মার্কিন ডলারের উত্থান উপেক্ষা করে সোনার দাম আগের দিনের লোকসানের কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে, তেলের দাম তিন মাসের সর্বোচ্চ স্তরে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
EURUSD-কে আলোচনায় রাখতে জার্মানির Q2 GDP-এর প্রাথমিক হিসাব এবং জুলাইয়ের মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের পর জুনের জন্য ফেডের পছন্দের মুদ্রাস্ফীতি সূচক, অর্থাৎ US Core PCE Price Index প্রকাশিত হবে। কানাডার GDP-ও গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ তথ্য এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সাম্প্রতিক নমনীয় নীতিগত পদক্ষেপে বাজারের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্যও নজরে থাকবে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!