Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
অনেকের পক্ষেই পুরো সময় ফরেক্স ট্রেডিং করা সম্ভব হয় না। তাই ট্রেডাররা রাতে বা দুপুরের বিরতিতে পজিশন খোলা ও বন্ধ করার খণ্ডকালীন সুযোগ খোঁজেন। বিরতি দিয়ে ট্রেড করলে অ্যাসেট কেনা বা বেচার সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। এই প্রবন্ধে আমরা কয়েকটি পরীক্ষিত খণ্ডকালীন কৌশল তুলে ধরব, যা ট্রেডিংয়ের সুযোগ হাতছাড়া হলে বড় ধরনের সমস্যায় পড়া এড়াতে সাহায্য করবে।

আপনি যদি পুরো সময়ের ট্রেডার হিসেবে কাজ করতে না পারেন, তাহলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী খণ্ডকালীন সময়সূচির জন্য বিকল্প কৌশল দরকার হবে। তবে এই পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যেমন, আপনি রাতে ট্রেড করলে আপনার হাতে ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের বিকল্প সীমিত থাকতে পারে—কিছু কারেন্সি পেয়ার বা ইনডেক্সে ২৪ ঘণ্টা ট্রেড করা যায় না।
এ ক্ষেত্রে ২৪/৭ উপলভ্য অ্যাসেটগুলোকে একত্রে ব্যবহার করার জন্য আরও নমনীয় কৌশল দরকার হবে। পাশাপাশি, খণ্ডকালীন ট্রেডিংয়ে সফল হতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে কোনো না কোনো ধরনের সম্পর্ক কাজে লাগাতে হবে। কার্যকর ফরেক্স ট্রেডিং কৌশল সম্পর্কে জানুন।
স্বল্পমেয়াদি কৌশল বেছে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে, আবার লাভজনকও হতে পারে। এই কৌশলে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্যও ট্রেড করা হয়। প্রথমেই আপনাকে উপযুক্ত স্বল্পমেয়াদি ট্রেন্ড শনাক্ত করতে হবে। শুধু অ্যাসেটটি শনাক্ত করাই নয়, সম্ভাব্য লোকসান থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখাও এর উদ্দেশ্য।
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি মৌলিক পদ্ধতি কাজে আসতে পারে। যেমন:
সুবিধা:
অসুবিধা:
আপনি কি জানেন, বিনামূল্যের ডেমো অ্যাকাউন্টে বাস্তব বাজারের পরিস্থিতিতে যেকোনো কৌশল সহজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন? আপনার টেস্ট অ্যাকাউন্টে বিনামূল্যের $5000 দিয়ে ট্রেড করার সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, আর এতে আপনার কোনো ঝুঁকিই নেই! লাইভ অ্যাকাউন্টে লাভের জন্য ট্রেডিং শুরু করার আগে সবকিছু কীভাবে কাজ করে, তা দেখে নিন।



এই কৌশলটি তাদের জন্য উপযুক্ত, যারা মধ্যমেয়াদি সময়সীমায় শেয়ার ট্রেড করতে চান। অর্থাৎ, ট্রেন্ডের গতিবিধির ওপর নির্ভর করে আপনাকে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত পজিশন ধরে রাখতে হবে। ফলে, স্বল্পমেয়াদি কৌশলের তুলনায় এই কৌশলে আরও বেশি বিশ্লেষণ করতে হয়।
অন্য কথায়, শুধু স্বল্প সময়ের দামের ওঠানামা নয়, সম্ভাব্য পজিশনের সঙ্গে তুলনা করে ট্রেন্ডের অতীতের গতিবিধিও খতিয়ে দেখতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় বেশি সময় লাগতে পারে, কারণ ট্রেডারদের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন দেখতে হয়, অ্যাসেট-সম্পর্কিত ঘটনাগুলো নজরে রাখতে হয়, পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করতে হয়।
আপনার লাগবে:
সুবিধা:
অসুবিধা:
কৌশলগুলোর নাম থেকেই বোঝা যায়, পজিশন দীর্ঘ সময় ধরে খোলা রাখা হয়। কিছু ক্ষেত্রে এই সময় কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছরও হতে পারে। এ সময় অ্যাসেটটি একই অবস্থানে থাকে, তেমন কোথাও যায় না। এই পদ্ধতিতে কম ট্রেড করে 200 পিপ বা তার বেশি মুনাফা অর্জনের লক্ষ্য রাখা হয়।
তবে, এই পদ্ধতি বেছে নিলে ট্রেডিংয়ের সুযোগ কমে যায়। এ ছাড়া, এই কৌশলটি সামলাতে আপনাকে ভালোভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং অর্থনীতি, ট্রেডিং ও বিশ্লেষণ সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।
এই ফরেক্স ট্রেডিং কৌশলগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
সুবিধা:
অসুবিধা:
বাজারে প্রবেশের আগে উপযুক্ত কৌশল বেছে নেওয়া জরুরি। কোন কৌশলটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা আপনাকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে। পার্ট-টাইম ট্রেডিং শুরু করার আগে নিজের জ্ঞান, কৌশল ও ট্রেডিংয়ের পদ্ধতি যাচাই করে নিন। উপরে বর্ণিত প্রতিটি কৌশল সম্পর্কে আরও জানুন। প্রতিটি কৌশল নিয়ে আমরা বিস্তারিত গাইড দিয়েছি, যাতে আপনি বুঝতে পারেন সেটি আপনার জন্য কার্যকর কি না।
আপনার ট্রেডিংয়ের জন্য শুভকামনা রইল। আমাদের সঙ্গে আপনার ট্রেডিং শুরু করার অপেক্ষায় আছি।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।