Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
ফর্মুলা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং হলো এমন একটি কৌশল, যা বড় কন্ট্রাক্ট ও বেশি ট্রেডিং মূলধন ব্যবহারকারী স্ক্যাল্পার বা ডে ট্রেডারদের জন্য প্রয়োজনীয়। এই টুলটি তাদের লাভের সম্ভাবনা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে, বেশি লাভের সম্ভাবনার সঙ্গে স্ক্যাল্পিংয়ে ঝুঁকিও বাড়ে, কারণ বাজারে অস্থিরতা থাকে এবং দাম বিপরীত দিকে অনিশ্চিতভাবে যেতে পারে।

লাভের জন্য স্ক্যাল্পাররা স্বল্প সময়ের মধ্যে দামের ছোট কিন্তু দ্রুত ওঠানামার সুযোগ খোঁজেন। সফল হওয়ার একমাত্র উপায় হলো, ট্রেডগুলোকে নিয়মিত নজরে রাখা। অর্থাৎ, ট্রেডারদের খোলা প্রতিটি পজিশনের ওপর নিবিড় নজর রাখতে হয়। পাশাপাশি, ট্রেডগুলো সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করাও জরুরি।
এত ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, বড় কন্ট্রাক্ট নিয়ে ট্রেড করার সময় ঝুঁকি কমাতে এবং লাভ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে—এমন সেরা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং ফর্মুলা খোঁজেন বিনিয়োগকারীরা।
আপনি নতুন হলে, ট্রেডিং ফর্মুলা কীভাবে বের করতে হয় তা হয়তো জানেন না। বিভিন্ন ধরনের কৌশল ও পদ্ধতি রয়েছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটির মধ্যে রয়েছে:
উপরে উল্লেখিত কোনো কিছুকেই মূল বা স্বতন্ত্র টুল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়, যা ঝুঁকিহীন ট্রেডিংয়ের নিশ্চয়তা দেয়। আর্থিক বাজারে সফল হতে হলে শুধু ইন্ট্রাডে ট্রেডিং কৌশলের ফর্মুলা অনুসরণ করাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য আরও কিছু গুণের প্রয়োজন:
তাই আপনার একটি ভালো ট্রেডিং প্ল্যান থাকা দরকার। যা-ই ঘটুক, সেটি মেনে চলুন। যতটা অর্থ হারানোর সামর্থ্য আপনার নেই, তার বেশি অর্থ দিয়ে কখনো ট্রেড করবেন না। ট্রেডিং প্ল্যান আপনাকে বলে দেবে কোথায় থামতে হবে বা কীভাবে আরেকটি পজিশন যোগ করতে হবে। আর ফর্মুলা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং কৌশল সম্ভাব্য লাভ বাড়াতে এবং ক্ষতি কমাতে সাহায্য করবে।



পিভট পয়েন্ট ট্রেডিং ফর্মুলাটি গাণিতিক পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি পিভট পয়েন্ট তত্ত্বের ওপর নির্ভর করে। পিভট পয়েন্ট থেকে এমন কিছু স্তর তৈরি হয়, যা আগের দিনে ট্রেড হওয়া অ্যাসেটের দাম নির্দেশ করে। এই কৌশলের বড় সুবিধা হলো, এটি নতুনদের জন্যও উপযোগী—কারণ সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের স্তর বোঝা বেশ সহজ। কোনো সিকিউরিটির দাম কমতে থাকলে, সাপোর্ট লেভেলের কাছাকাছি এসে তা থেমে যেতে পারে বলে আশা করা যায়; আর দাম বাড়লে এর বিপরীতটা হতে পারে।
পিভট পয়েন্টভিত্তিক ইন্ট্রাডে ট্রেডিং ফর্মুলায় সিকিউরিটির আগের ক্লোজিং প্রাইসের পাশাপাশি বর্তমানের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দামও ব্যবহার করা হয়।
ডে ট্রেডিংয়ে ব্যবহৃত পিভট পয়েন্ট ফর্মুলাটি সর্বোচ্চ দাম, সর্বনিম্ন দাম এবং আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইস থেকে নির্ণয় করা হয়। সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের স্তর হিসাব করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
রেজিস্ট্যান্স 1 = (H+L+C/3) x 2 - L
রেজিস্ট্যান্স 2 = P + (H+L)
সাপোর্ট 1 = (H+L+C/3) x 2 -H
সাপোর্ট 2 = P - (H-L)
এই ফর্মুলাগুলো সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের স্তরের ঠিক কাছাকাছি হতে পারে এমন প্রাইস রিভার্সাল নজরে রাখতে সাহায্য করে। মোমেন্টাম শক্তিশালী হলে, কাছাকাছি কোনো স্তরে বাই বা সেল অর্ডার দিতে পারেন, কারণ সব স্তরই বেশ কাছাকাছি থাকে।
এটি আগের আলোচিত ফর্মুলাটির সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে। এতে ফ্র্যাকশন তত্ত্বের ধারণা ব্যবহার করা হয়, যা প্রাইস রিভার্সাল শনাক্ত করতে সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের স্তর হিসাব করার প্রায় একই রকম। তবে ফর্মুলাটি কিছুটা আলাদা। প্রয়োজনীয় সব হিসাব করতে ট্রেডারদের নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
এখন, রেজিস্ট্যান্স 1 হিসাব করতে আগের দিনের তথ্য ব্যবহার করে Y – Low-এর মান বের করুন। সাপোর্ট 1-এর স্তর হিসাব করা হয় Y – আগের দিনের High দিয়ে। রেজিস্ট্যান্স লেভেল লক্ষ্য রেখে সবচেয়ে অনুকূল কেনার ক্ষেত্র শনাক্ত করতে Y – C ফর্মুলা ব্যবহার করুন।
বিভিন্ন ফর্মুলা ব্যবহার করলেই সাফল্য নিশ্চিত হয় না। এ ছাড়া, ইন্ট্রাডে ট্রেডিংয়ের জন্য শুধু টেকনিক্যাল দক্ষতা সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলেই চলে না। আপনার একটি স্পষ্ট ট্রেডিং প্ল্যান থাকতে হবে, আবেগকে দূরে রাখতে হবে এবং লোকসানের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বাজার নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যান, নতুন টেকনিক্যাল টুল ব্যবহার করে দেখুন এবং বিভিন্ন কৌশল পরীক্ষা করুন। কোনো একটি ফর্মুলাকে একমাত্র সমাধান হিসেবে ব্যবহার করবেন না। যে কৌশলই বেছে নিন, সাফল্যের জন্য সেটিকে অন্য টুলের সঙ্গে ব্যবহার করুন।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।