Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
মোমেন্টাম ট্রেডিং কী এবং বাজারে প্রবেশ বা বেরিয়ে আসার সেরা অবস্থান নির্ধারণে দামের গতিবিধি ব্যবহার করার সময় এটি কীভাবে সাহায্য করতে পারে? পদার্থবিজ্ঞানে মোমেন্টাম কীভাবে কাজ করে তা জানা থাকলে, দামের মোমেন্টামও বুঝতে পারবেন। দুটি ধারণা বেশ মিল রয়েছে। আর্থিক বাজারে মনে রাখার বিষয় হলো, দামের মোমেন্টাম সাধারণত দামের পরিবর্তনের হার এবং ট্রেড হওয়া ভলিউম দিয়ে নির্ধারিত হয়।

অন্যভাবে বললে, কোনো নির্দিষ্ট সময় ধরে দামকে একটি নির্দিষ্ট দিকে যেতে দেখলে, ট্রেন্ডের মোমেন্টাম একসময় কমে যাওয়া পর্যন্ত দাম সেই দিকেই চলতে থাকবে। কখন তা ঘটবে, কেউ জানে না। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর কাজে আসে। এগুলো মোমেন্টাম পরিমাপ ও ব্যাখ্যা করতে এবং, উদাহরণস্বরূপ, কোনো নির্দিষ্ট কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড করার সময় দামের পরিবর্তনের হার মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে। কোনো ট্রেডার মোমেন্টাম কমতে দেখলে, তা আসন্ন রিভার্সাল বা রিট্রেসমেন্টের ইঙ্গিত হতে পারে।
এই কৌশল থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে বাজার কীভাবে চলে তা বোঝা খুব জরুরি। এ ছাড়া, নির্দিষ্ট সিগন্যাল চেনার এবং সেগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগানোর উপায়ও শিখতে হবে।
আপনি যদি মোমেন্টাম ট্রেডিং করেন, তাহলে অ্যাবসোলিউট ও রিলেটিভ—দুই ধরনের কৌশলই বিবেচনা করতে হবে:
আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ট্রেডিং কৌশল বেছে নেওয়ার সময়, বাস্তব বাজার পরিস্থিতিতে সেটি কীভাবে প্রয়োগ করতে হয় তা শিখতে হবে।



একজন ট্রেডার হিসেবে, শুরুতে এই কৌশল ব্যবহারের জন্য আপনার সামনে দুটি প্রধান উপায় থাকবে। প্রথমটি প্রাইস অ্যাকশন নিয়ে কাজ করে, আর দ্বিতীয়টিতে ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্নের আকারে তথাকথিত মোমেন্টাম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করা হয়। এগুলো দাম এবং তার ওঠানামা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সব তথ্য দেয়। একটি ক্যান্ডেলস্টিকের দৈর্ঘ্য থেকে শুরু করে দামের ওপেন ও ক্লোজ—প্রতিটি তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ:
তবে, মোমেন্টাম নির্ধারণের জন্য এই তথ্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। দাম অল্প সময়ের মধ্যে দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে নাকি কমে যাচ্ছে, তা শনাক্ত করতে হবে। এটি মোমেন্টাম বাড়ার লক্ষণ। বিপরীতে, দাম ধীরে চললে তা মোমেন্টাম কমার লক্ষণ।
ভবিষ্যতে দামের মোমেন্টাম কেমন হবে, তা অনুমান করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে, ট্রেডাররা দুটি সহজ উপায়ে এটি করতে পারেন। প্রথমত, প্রাইস অ্যাকশনের মোমেন্টাম কোথায় তৈরি হতে পারে, তা জানতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইন্ডিকেটর সাহায্য করতে পারে। দ্বিতীয়ত, মোমেন্টাম কমছে নাকি বাড়ছে, তা বুঝতে প্রাইস অ্যাকশনের সিগন্যালগুলো সঠিকভাবে শনাক্ত করতে হবে।
আগেই বলা হয়েছে, মোমেন্টাম ব্যাখ্যা করতে তিনটি প্রধান বিষয় বিবেচনা করতে হয়: ট্রেডিং ভলিউম, ভোলাটিলিটি এবং টাইমফ্রেম। এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নিয়ে, আপনার কৌশলকে অবশ্যই উন্নত করবে—এমন উপযুক্ত মোমেন্টাম ইন্ডিকেটরগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা যেতে পারে:
মোমেন্টাম কৌশল প্রয়োগের আগে বাজারের সব অন্তর্নিহিত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে সিগন্যালের ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে এবং ক্ষতি হতে পারে।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।