Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
সাধারণ শেয়ার হলো এক ধরনের সিকিউরিটি, যাতে আপনি বিনিয়োগ করতে পারেন। এগুলো সাধারণ, ভোটাধিকারযুক্ত বা অর্ডিনারি শেয়ার নামেও পরিচিত। এই শেয়ার কোম্পানির ইকুইটিতে আপনার মালিকানার অংশ নির্দেশ করে। আপনার কাছে সাধারণ শেয়ার থাকলে, প্রতিষ্ঠানের মুনাফার একটি অংশ পাওয়ার অধিকার থাকে। পাশাপাশি, পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশ নিতে, গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট নীতিতে ভোট দিতে এবং কোম্পানি-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, সম্পদ গড়ে তোলার জন্য এই সিকিউরিটিগুলো ভালো উপায় হতে পারে। তবে, সম্পদটির মূল্য নির্ধারণ করতে এবং আপনার নির্দিষ্ট বিনিয়োগের চাহিদা পূরণ করে এমন শেয়ার বেছে নিতে সাধারণ শেয়ারের মূল্যায়নের কার্যকর পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। এই প্রবন্ধে আমরা সাধারণ শেয়ার কী, প্রেফার্ড শেয়ার ও সাধারণ শেয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী, এবং এই সিকিউরিটির প্রধান সুবিধা ও অসুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করব।
সাধারণ শেয়ার কী? এগুলো ইস্যুকারী কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীর মালিকানার অংশ নির্দেশ করে। ধরুন, একটি প্রতিষ্ঠান ভালো করছে, তার পারফরম্যান্স চমৎকার এবং সম্পদের মূল্য দ্রুত বাড়ছে। এর অর্থ, ওই কোম্পানিতে আপনার মালিকানার অংশ হিসেবে থাকা সাধারণ শেয়ারের মূল্যও বাড়বে, ফলে সিকিউরিটির মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
অন্যদিকে, কোনো কোম্পানির ব্যবসা ভালো না চললে তার সাধারণ শেয়ারের উচ্চ মূল্য নিশ্চিত করা যায় না। বরং বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে শেয়ারের মূল্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে, দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডাররা এমন একটি সম্পদের মাধ্যমে কোম্পানির উত্থান-পতনের অংশীদার হতে পারেন।



প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার, সাধারণ শেয়ার প্রধানত দুই ধরনের: ভোটাধিকারযুক্ত ও ভোটাধিকারহীন। একই কোম্পানি দুই ধরনের সাধারণ শেয়ারই ইস্যু করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, NASDAQ-এ তালিকাভুক্ত Google-এর A শ্রেণির শেয়ার (GOOGL) ভোটাধিকারযুক্ত, আর C শ্রেণির শেয়ার (GOOG) ভোটাধিকারহীন।
সাধারণ শেয়ারধারীদের অধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তনের বিষয়ে ভোট দেওয়া, করপোরেট পরিচালক নির্বাচন করা, শেয়ার বিভাজন ও নীতিগত পরিবর্তনে ভোট দেওয়া এবং অন্যান্য করপোরেট ইভেন্টে অংশ নেওয়া।
বিভিন্ন উপায়ে মুনাফা বণ্টন করা যায়। সাধারণত, কোম্পানিগুলো লভ্যাংশের পদ্ধতি ব্যবহার করে। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি শেয়ারধারী মুনাফার একটি পূর্বনির্ধারিত আনুপাতিক অংশ পান।
উদাহরণ: ধরুন, আপনার কাছে এমন একটি কোম্পানির সাধারণ শেয়ার আছে, যা লভ্যাংশ হিসেবে $10 million বিতরণ করবে। কোম্পানিটির 20 million শেয়ারধারী রয়েছেন, যাঁরা মুনাফার আনুপাতিক অংশ পাবেন। প্রত্যেক বিনিয়োগকারী তাঁর হাতে থাকা প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের জন্য $0.50 পাবেন
একদিকে, সাধারণ শেয়ারের মূল্যায়নের জন্য আপনি যে পদ্ধতি বেছে নেবেন, তার ওপর নির্ভর করে এই ধরনের সিকিউরিটি থেকে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মুনাফা হতে পারে। অন্যদিকে, কোম্পানির অবস্থা খারাপ হলে মুনাফা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অবস্থান থাকে সবার শেষে। তাছাড়া, ইস্যুকারী দেউলিয়া হলে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অগ্রাধিকার থাকে সবার নিচে। অর্থাৎ, কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে এবং সাধারণ শেয়ারের মূল্য শূন্যে নেমে এলে আপনি কিছুই নাও পেতে পারেন। বিনিয়োগের জন্য এই ধরনের সিকিউরিটি বেছে নেওয়ার আগে নিচের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো বিবেচনা করুন।
সুবিধা
অসুবিধা
প্রেফার্ড শেয়ার হলো সিকিউরিটির আরেকটি প্রধান ধরন। সাধারণ শেয়ারের সঙ্গে এর পার্থক্য হলো, এর লভ্যাংশের হার নির্দিষ্ট থাকে এবং সময়ের সঙ্গে বা কোম্পানির পারফরম্যান্সের ভিন্নতার কারণে তা পরিবর্তিত হয় না। প্রেফার্ড শেয়ারের মূল্যে ওঠানামার প্রবণতাও তুলনামূলকভাবে কম। এসব কারণে আপনার মনে হতে পারে, এই সিকিউরিটিগুলোই ভালো বিকল্প। তবে দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ শেয়ার থেকে মুনাফার সম্ভাবনা এখনও বেশি।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।