Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
শেয়ারবাজারে IPO বলতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (Initial Public Offering) বোঝায়। এর মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ মানুষের কেনার জন্য শেয়ারের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। অন্য কথায়, এটি স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কোম্পানির সরাসরি জনগণের কাছে বিক্রি করা সম্পদের তালিকা।

কারও কাছে IPO-তে বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জনের সুযোগটি পুরস্কারজয়ী সুযোগের মতো মনে হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, এটি সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। সাধারণত, পরিচিত ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো IPO নিয়ে আসে। তবে এর মানে এই নয় যে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সেগুলো যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য। তাই IPO বেশ ঝুঁকিপূর্ণ একটি ট্রেডিং উপকরণ।
বিনিয়োগকারীদের প্রথমেই স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে, কোম্পানির আকার বা আয় যা-ই হোক, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াটি কতটা কঠিন ও সময়সাপেক্ষ হতে পারে। প্রথমত, এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর কাগজপত্রের কাজ থাকে। সঠিক আর্থিক তথ্য প্রকাশসহ SEC-এর শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয়ত, কোম্পানিগুলোকে জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান নজরদারির জন্য ভালোভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়।
এ ধরনের বাধা এড়াতে বেসরকারি কোম্পানিগুলো সাধারণত মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কাজ করে। আরও নির্দিষ্টভাবে বললে, তারা বিনিয়োগ ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আন্ডাররাইটারদের সহায়তা নেয়। এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানিকে আসন্ন IPO-র জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণে সাহায্য করে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কোম্পানির সব কাগজপত্র সম্পন্ন করে, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় নথি তৈরি করে এবং নির্ধারিত বৈঠকের আয়োজন করে, যা রোডশো নামেও পরিচিত।
IPO-র প্রাথমিক মূল্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হলে, আন্ডাররাইটাররা কোম্পানির পক্ষে শেয়ার ইস্যু করতে পারেন। তখন থেকেই সাধারণ মানুষ শেয়ার কিনতে পারেন এবং সেগুলো স্টক এক্সচেঞ্জে ট্রেড করতে পারেন।



বিনিয়োগের মূল সম্পদ হিসেবে IPO বেছে নিলে, প্রক্রিয়াটি বুঝতে আপনাকে কয়েকটি বিশেষ পরিভাষা শিখতে হবে:
অন্য যেকোনো সম্পদের মতো IPO-তেও বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া, কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, সম্মানিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত পাবলিক কোম্পানির ইস্যু করা শেয়ার কেনা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। সাধারণত, বেসরকারি কোম্পানিগুলো আর্থিক তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে খুব কম তথ্য দেয়, ফলে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করা কঠিন হয়। অন্য কথায়, বিনিয়োগকারী হিসেবে আপনাকে অনেক অজানা বিষয় ও অনির্ধারিত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।