Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

গাইডের দ্বিতীয় পর্বে স্বাগতম। আপনি যদি এখনও ফরেক্স ট্রেডিংয়ের আলটিমেট গাইড: পার্ট 1 না পড়ে থাকেন, তাহলে পড়ে নিন। এই পর্বে থাকছে কয়েকটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর:
ফরেক্সে স্প্রেড বলতে কোনো কারেন্সি পেয়ারের বিড ও আস্ক প্রাইসের পার্থক্যকে বোঝায়।
GBP/USD পেয়ারের উদাহরণটি দেখুন। ধরা যাক, আজ 1 GBP-এর মূল্য 1.3000 USD। আপনার মনে হতে পারে, ডলারের বিপরীতে GBP-এর দাম বাড়বে। তাই আপনি আস্ক প্রাইসে GBP/USD পেয়ারটি কিনবেন।
কারেন্সি পেয়ারটির আস্ক প্রাইস ঠিক 1.3000 হবে না; এর চেয়ে কিছুটা বেশি হতে পারে, যেমন 1.3003—ট্রেডের জন্য আপনাকে এই দামই দিতে হবে। এদিকে, ট্রেডের অপর দিকের বিক্রেতাও পুরো 1.3003 পাবেন না; তিনি কিছুটা কম, যেমন 1.2995 পেতে পারেন। বিড ও আস্ক প্রাইসের পার্থক্য—এ ক্ষেত্রে 0.0008—হলো স্প্রেড। ট্রেডে সহায়তা করা এবং ঝুঁকি নেওয়ার বিনিময়ে ব্রোকার এই পার্থক্যটুকু আয় হিসেবে রাখে।
স্প্রেডের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।
0.008 GBP স্প্রেড খুব বেশি মনে না হলেও, ট্রেডের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে স্প্রেডের খরচও বাড়ে। ফরেক্স ট্রেডিংয়ে সাধারণত বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়। ট্রেডে যত বেশি লট থাকে, স্প্রেডের প্রভাবও তত বেশি হয়।
ফরেক্স ট্রেডারদের কাছে কম স্প্রেডে ট্রেড করা সাধারণত অগ্রাধিকার পায়। কারণ, বড় ট্রেডের ওপর নির্ভর না করে ছোট আকারের অনেকগুলো ট্রেড করলে তারা তুলনামূলক দ্রুত মুনাফা করতে পারেন।



আমাদের বিনামূল্যের ডেমো অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনার ট্রেডিংয়ের অভিজ্ঞতা আরও ভালো করুন।
সম্পদের মালিক না হয়েও দামের ওঠানামা থেকে মুনাফা করা যায়। CFD-এর পূর্ণরূপ Contract for Difference। এটি ক্লায়েন্ট ও ব্রোকারের মধ্যে একটি ট্রেডযোগ্য চুক্তি, যেখানে কোনো শেয়ার, কারেন্সি, কমোডিটি, সূচক বা বন্ডের বর্তমান মূল্য এবং চুক্তির মেয়াদ শেষে তার মূল্যের পার্থক্য লেনদেন করা হয়।
ফরেক্সে বড় অঙ্কের কারেন্সি কেনাবেচা করে মুনাফা করা হয়। অন্যদিকে, CFD-তে সম্পদের মালিক না হয়েও দামের ওঠানামা থেকে মুনাফা করা যায়।

ফিজিক্যাল শেয়ারে ট্রেড করার তুলনায় CFD ট্রেডিংয়ে ট্রেডারদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন:
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, CFD কন্ট্র্যাক্টের মাধ্যমে লিভারেজ ব্যবহার করে বাজারে ট্রেড করা যায়। ফলে একজন ট্রেডার সরাসরি কিনতে পারতেন এমন পরিমাণের চেয়ে অনেক বড় বাজারে পজিশন নিতে পারেন।
উদাহরণস্বরূপ, 1 আউন্স সোনা কিনতে আপনার 1,200 USD খরচ হবে। তবে সর্বোচ্চ 1:20 লিভারেজে (অর্থাৎ, একজন ট্রেডার জমার 20 গুণ পর্যন্ত ট্রেড করতে পারেন) মাত্র $60 ডিপোজিট দিয়ে 1 আউন্স সোনার সম্পূর্ণ মূল্যের (1,200 USD) ওপর ট্রেড করা সম্ভব।
একইভাবে, ইউরো দিয়ে 3,000 US ডলার কিনতে আপনার 2,700 EUR খরচ হবে। কিন্তু 1:30 লিভারেজ ব্যবহার করে মাত্র 100 EUR দিয়ে CFD হিসেবে 3,000 USD মূল্যের EUR/USD কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড করতে পারেন। কোনো ট্রেডার সরাসরি সম্পদটিতে বিনিয়োগ করলে সম্ভাব্য মুনাফার পরিমাণ যেমন হতো, এখানেও তা একই। তবে সম্ভাব্য মুনাফা যতটা বাড়তে পারে, সম্ভাব্য ক্ষতিও ঠিক ততটাই বেড়ে যেতে পারে। সৌভাগ্যবশত, লিভারেজের কারণে হওয়া ক্ষতির প্রভাব এড়াতে ট্রেডাররা বিশ্বস্ত ব্রোকারের বিমা ব্যবহার করতে পারেন।

লিভারেজের বিভিন্ন মাত্রা আপনার ট্রেডিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। নিচে ফরেক্স লিভারেজের ইনফোগ্রাফিকটি দেখুন:

শেষে, এই অংশে উল্লেখ করা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফরেক্স পরিভাষা জেনে নিন।
লিভারেজ হলো ক্লায়েন্টের ট্রেডিংয়ের পরিমাণ বাড়াতে ফরেক্স ব্রোকারের দেওয়া মূলধন। অ্যাকাউন্টে $1,000 ডিপোজিট থাকলে 1:10 লিভারেজের মাধ্যমে $10,000 মূল্যের কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড করা যায়। ট্রেড সফল হলে লিভারেজ সম্ভাব্য মুনাফা 10 গুণ পর্যন্ত বাড়াতে পারে। সতর্ক থাকুন: ট্রেড ব্যর্থ হলে লিভারেজ একই হারে ক্ষতিও বাড়ায়। আপনার অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স ঋণাত্মক হয়ে $0-এর নিচে নেমে গেলে, (ESMA-নিয়ন্ত্রিত ব্রোকারের সঙ্গে ট্রেড করলে) ব্রোকারের নেগেটিভ ব্যালান্স প্রোটেকশন ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে, যার ফলে ট্রেডটি বন্ধ হয়ে যাবে। এতে আপনার সুবিধা হলো, ব্যালান্স $0-এর নিচে নামতে পারে না—তাই ব্রোকারের কাছে আপনার কোনো ঋণ হবে না।
মার্জিন হলো বিনিয়োগ কেনার জন্য ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান থেকে ধার করা অর্থ। ট্রেডারের অ্যাকাউন্টে থাকা সিকিউরিটিজের মোট মূল্য এবং ব্রোকারের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণের পার্থক্যই হলো মার্জিন। মার্জিনে কেনা হলো সিকিউরিটিজ কেনার জন্য অর্থ ধার করার প্রক্রিয়া।
পিপ হলো কারেন্সি পেয়ারের দামের মৌলিক একক, অথবা কোট করা দামের 0.0001। উদাহরণস্বরূপ, EUR/USD পেয়ারের বিড প্রাইস 1.1334 থেকে 1.1335 হলে, তা 1 পিপের পরিবর্তন বোঝায়।
স্প্রেড হলো কোনো কারেন্সি পেয়ারের বিড ও আস্ক প্রাইসের পার্থক্য। জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ারের স্প্রেড প্রায়ই কম থাকে—কখনো কখনো 1 পিপেরও কম। যেসব পেয়ারে তুলনামূলকভাবে কম ট্রেড হয়, সেগুলোর স্প্রেড সাধারণত অনেক বেশি। ফরেক্স ট্রেডে মুনাফা হওয়ার আগে কারেন্সি পেয়ারের দামকে স্প্রেড অতিক্রম করতে হয়।
সঙ্গে থাকুন! আমাদের শিক্ষা বিভাগে আপডেট দেখুন।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।