Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
ক্রিপ্টো শিল্পের বিকাশ ঘটছে। এটি বিনিয়োগকারী ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। অন্যান্য ধরনের সম্পদে ট্রেডিংয়ের তুলনায় ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগে বেশি রিটার্ন পাওয়া যায়। তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে হওয়া নতুন ধরনের প্রতারণা—ক্রিপ্টো রাগ পুল—কীভাবে এড়াতে হয়, তা ট্রেডারদের জানা উচিত।

ক্রিপ্টো রাগ পুলের কারণে শুধু বিনিয়োগকারীরাই নয়, পুরো শিল্পও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এই নিবন্ধে আমরা ক্রিপ্টোতে রাগ পুল কীভাবে ঘটে এবং ট্রেডাররা কীভাবে তা এড়াতে পারেন, তা জানব।
প্রথমে, রাগ পুল কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা পরিষ্কার করে নেওয়া যাক। এটি ক্রিপ্টোতে প্রতারণার একটি নতুন ধরন। এর নামটি “পায়ের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে নেওয়া” কথাটির সঙ্গে সম্পর্কিত। ধারণাটি বেশ সহজ:



বর্তমানে রাগ পুলের হুমকি বাড়ছে। প্রতারক ডেভেলপাররা ইতিমধ্যেই বীমা ও ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি NFT প্রকল্পগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আপনার সম্পদ ও মূলধন সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সবচেয়ে পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কয়েন-এ বিনিয়োগ করা। এ ছাড়া, বিনিয়োগকারীদের উচিত প্রতারণামূলক এক্সচেঞ্জ ও ওয়েবসাইট এড়িয়ে নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষিত মার্কেটপ্লেসে ট্রেড করা।
এবার, ক্রিপ্টো রাগ পুলকে কী কী প্রধান ধরনে ভাগ করা যায়, তা দেখে নেওয়া যাক। রাগ পুলের ধরনগুলো জানলে ক্রিপ্টো খাতের যেকোনো জায়গায় সহজেই সেগুলো শনাক্ত করতে পারবেন। রাগ পুলকে নিচের ধরনগুলোতে ভাগ করা যায়:
এখন আপনি ক্রিপ্টো রাগ পুলের প্রধান ধরনগুলো জানেন। তাই সেগুলো শনাক্ত করে এড়ানোর সম্ভাবনা আপনার বেশি।
ক্রিপ্টো রাগ পুলের ধরন অনুযায়ী সেটি শনাক্ত করার পদ্ধতি নির্ধারিত হয়। বিনিয়োগকারীদের প্রকল্পটি নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা করা উচিত। সম্পদের ডেভেলপার ও প্রতিষ্ঠাতাদের সম্পর্কে যতটা সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করা, প্রকল্পটির পেছনে থাকা টিমকে বিশ্লেষণ করা—এসবই এর উদ্দেশ্য। সফলতার জন্য এই অনুসন্ধানই মূল বিষয়।
আরেকটি পদক্ষেপ হলো কয়েনগুলোর লিকুইডিটি লক করা আছে কি না, অথবা সেগুলো বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা আছে কি না, তা যাচাই করা। লিকুইডিটি কমে গেলে ডেভেলপার যেন টোকেনের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে পারেন, তা নিশ্চিত করুন। দামের বড় ধরনের ওঠানামা লক্ষ্য করলে সেটি এও বোঝাতে পারে যে প্রকল্পটি একটি স্ক্যাম এবং এর টোকেনগুলোর পর্যাপ্ত লিকুইডিটি নেই।
নতুন ক্রিপ্টোর ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে করা স্বাধীন অডিট থাকা উচিত। তা না থাকাও ক্রিপ্টো রাগ পুলের লক্ষণ হতে পারে। সবশেষে, যাই ঘটুক না কেন, শান্ত থাকুন এবং FOMO এড়িয়ে চলুন। যত বেশি সম্ভব সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করতে প্রতারণাকারী ডেভেলপারদের বেশিরভাগই সুযোগ হারানোর ভয়কে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
উপরে বলা সবকিছু মিলিয়ে দেখলে, ক্রিপ্টো রাগ পুল এড়ানো খুব কঠিন নয়। আপনাকে শুধু এই সহজ পদক্ষেপ ও সতর্কতাগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ক্রিপ্টো ট্রেডিং বিনিয়োগকারীদের জন্য দারুণ সুযোগ এনে দেয় এবং প্রচলিত ট্রেডিংয়ের তুলনায় বেশি রিটার্নের সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া, ডিজিটাল মুদ্রা আগের চেয়ে বেশি ট্রেডিংয়ের স্বাধীনতা দেয়, তাই ট্রেডাররা কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই কাজ করতে পারেন।
অন্যদিকে, প্রতারণার ঝুঁকিও বেশি। ডেভেলপাররা প্রতারণামূলক প্রকল্প তৈরি করেন, যেগুলো ক্রিপ্টো রাগ পুল নামেও পরিচিত। তারা যতটা সম্ভব মূলধন আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন, তারপর বিনিয়োগকারীদের মূল্যহীন সম্পদ নিয়ে ফেলে চলে যান। তাই, বিনিয়োগের জন্য কোনো প্রকল্প বেছে নেওয়ার সময় আপনাকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।