Scan & Get our app!

Get our app!

Download our app and stay connected on the go.

Download app
লগ আউট
Are you sure you want to exist?

নতুনদের জন্য ট্রেড করার সেরা কারেন্সি বেছে নিন

দেখা যায়, বেশিরভাগ নতুন ফরেক্স ট্রেডারই কারেন্সি পেয়ার ট্রেডিংয়ে বিশেষ কিছু দেখেন না। তারা এ যাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টগুলোর একটিকে অবমূল্যায়ন করেন। কখনও কখনও পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। একজন নতুন ট্রেডার আর্থিক বিশ্লেষণ ভালোভাবে না করেই যেকোনো কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড শুরু করেন। শুরু করার জন্য এই অ্যাসেটটি সত্যিই সেরা। তবে সফলতার চাবিকাঠি হলো আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্তটি খুঁজে বের করা!

None

এখানে মূল প্রশ্ন হলো, “নতুনদের জন্য ট্রেড করার সেরা কারেন্সি কোনটি?” আইকনিক EUR/USD, নাকি কিছুটা বেশি এক্সোটিক GBP/JPY? শুধু নামটি ভালো শোনায় বলে প্রথম পেয়ারটি বেছে নেওয়াই সঠিক পেয়ার নির্বাচন নয়। নতুনদের জন্য ট্রেড করার সেরা কারেন্সি বেছে নিতে হলে পূর্বাভাসযোগ্যতা, ভোলাটিলিটি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মতো মৌলিক বৈশিষ্ট্যের দিকে নজর দিন।

তাই আজ আমরা জানব, ট্রেড করার জন্য সেরা কারেন্সি পেয়ার কীভাবে খুঁজে বের করবেন এবং 2020 সালে মার্কেটে প্রাধান্য বিস্তার করা সর্বশেষ ফরেক্স ট্রেন্ডগুলো কী। তবে তার আগে… আপনি কি সত্যিই জানেন কারেন্সি পেয়ার কী?

কারেন্সি পেয়ার কী?

এই শব্দটি একটি নির্দিষ্ট কারেন্সি ইউনিটের বিপরীতে অন্য একটি কারেন্সির মূল্য বোঝায়। এই পেয়ারে ট্রেড করার সময়, পার্থক্য থেকে লাভ করার উদ্দেশ্যে আপনি একটি কারেন্সি দিয়ে অন্যটি কেনেন। অন্য কথায়, আপনি “কোয়োট” এবং “বেস” কারেন্সির মূল্যের পার্থক্য তুলনা করার চেষ্টা করেন:

  • কোট কারেন্সি—এটি সেই মুদ্রা, যা একজন ট্রেডার বিক্রি করতে চান।
  • বেস কারেন্সি—এটি সেই মুদ্রা, যা একজন ট্রেডার কিনতে চান।

তাই ট্রেডিং প্রক্রিয়ায় দুটি প্রধান ধাপ রয়েছে: কেনা ও বিক্রি করা। দুটি ধাপ একই সময়ে ঘটে। তবে কারেন্সি পেয়ারকে সোনা, অপরিশোধিত তেল বা স্টকের মতো আলাদা ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিড প্রাইস হলো সেই দাম, যা বলে দেয় প্রয়োজনীয় পরিমাণ বেস কারেন্সি কিনতে একজন ট্রেডারের কত কোট কারেন্সি লাগবে।

এখানে জটিল কিছু নেই। তবে শুরুতেই সঠিক পেয়ার বেছে নিতে পারেন এমন নতুন ট্রেডার খুব কম। সঠিক পেয়ার বেছে নেওয়া আসলে কেন গুরুত্বপূর্ণ? তালিকার প্রথম পেয়ারটি বেছে নিয়ে ট্রেডিং শুরু করলেই বা হবে না কেন? উত্তর জানতে পরের অংশটি পড়ুন।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

ট্রেড করার জন্য সেরা কারেন্সি পেয়ার কীভাবে খুঁজবেন

কারেন্সির দাম অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। এখানে মূল চ্যালেঞ্জ হলো এমন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর পূর্বাভাস দেওয়া, যা বিড প্রাইসকে প্রভাবিত করতে পারে। অল্প কয়েকজন নতুন ট্রেডারই এমন পূর্বাভাস দিতে পারেন। এ কারণে বেশিরভাগ ট্রেডার বিশ্বের শক্তিশালী অর্থনীতিগুলোর স্থিতিশীল ও তারল্যপূর্ণ কারেন্সি পছন্দ করেন।

তাই ট্রেডিংয়ের সম্ভাবনা বেশি—এমন 8টি প্রধান কারেন্সি হলো:

  1. USD (মার্কিন ডলার)
  2. CAD (কানাডিয়ান ডলার)
  3. EUR (ইউরো)
  4. GBP (ব্রিটিশ পাউন্ড)
  5. CHF (সুইস ফ্রাঁ)
  6. NZD (নিউজিল্যান্ড ডলার)
  7. AUD (অস্ট্রেলিয়ান ডলার)
  8. JPY (জাপানি ইয়েন)

উপরে উল্লেখ করা সব কারেন্সি দিয়েই কারেন্সি পেয়ার তৈরি করে ট্রেড করা যায়। ফলে বেছে নেওয়ার জন্য 27টি আলাদা পেয়ার রয়েছে। তবে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডিংয়ের বেশিরভাগই মূলত 18টি প্রধান পেয়ারে হয়। এই কারণেই এই ইনস্ট্রুমেন্টটি অত্যন্ত নমনীয় এবং পরিচালনাযোগ্য।

ট্রেডিংয়ের সময়ও বিবেচনা করার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি কখন ট্রেড করবেন, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে আপনার বেছে নেওয়া পেয়ারের ওপর। এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রধান বাজারকেন্দ্রগুলো অবস্থিত হওয়ায় টাইম জোন অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে। অবস্থান, বাজার খোলা ও বন্ধের সময় ইত্যাদির দিক থেকে আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পেয়ারটি বেছে নিন।

এবার প্রধান, গৌণ ও এক্সোটিক কারেন্সি পেয়ারগুলো একটু বিস্তারিতভাবে দেখা যাক।

প্রধান কারেন্সি পেয়ার

None

এগুলো বিশ্বের সবচেয়ে স্থিতিশীল ও তারল্যপূর্ণ অর্থনীতিগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে। এ কারণে বাজারের অনিশ্চয়তার প্রভাবে ঝুঁকি কম থাকায় এগুলো নতুন ট্রেডারদের জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে। এই ইনস্ট্রুমেন্টগুলোকে সম্ভাবনাময় করে তোলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, পেয়ারের যেকোনো এক পাশে USD থাকে। এর মধ্যে থাকতে পারে:

  • USD/GBP;
  • USD/JPY;
  • AUD/USD এবং আরও অনেক কিছু।

শুরু করার জন্য এগুলো অবশ্যই ভালো বিকল্প। অন্তত, নতুনরা বুঝতে পারবেন বাজার কীভাবে কাজ করে।

মাইনর কারেন্সি পেয়ার

None

এই ইন্সট্রুমেন্টগুলোর কোনো এক পাশেই USD থাকে না। এ কারণেই এগুলোকে মাইনর পেয়ার বলা হয়। আপনি হয়তো কিছু ট্রেডারকে এগুলোকে ক্রস-কারেন্সি পেয়ার বলতেও শুনেছেন। এখানে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো, এগুলোর লিকুইডিটি কম এবং সাধারণত স্প্রেড বেশি। অন্যদিকে, এগুলো থেকে বেশি আয় হতে পারে, তবে কেবল তখনই, যখন আপনি দামের ওঠানামা সঠিকভাবে অনুমান করতে পারবেন।

মাইনর কারেন্সি পেয়ারের তালিকায় রয়েছে:

  • EUR/GBP;
  • NZD/CAD;
  • GBP/JPY এবং আরও অনেক পেয়ার।

প্রসঙ্গত, পেয়ারের যেকোনো এক পাশে EUR থাকলে বেছে নেওয়া ইন্সট্রুমেন্টটির স্থিতিশীলতা ও লিকুইডিটিও বাড়ে।

এক্সোটিক কারেন্সি পেয়ার

None

এগুলো সবচেয়ে অনিশ্চিত ও অস্থিতিশীল ইন্সট্রুমেন্ট, কারণ প্রতিটি পেয়ারে একটি উদীয়মান দেশের মুদ্রা থাকে। বেশি স্প্রেড ও অত্যন্ত বেশি লিকুইডিটি নিয়ে আপনার আপত্তি না থাকলে, এগুলো বেছে নিতে পারেন।

এক্সোটিক কারেন্সি পেয়ারের কয়েকটি উদাহরণ:

  • EUR/TRY;
  • AUD/MXN;
  • GBP/ZAR।

আবারও বলছি, শুরু করার জন্য মেজর ও মাইনর কারেন্সি পেয়ারের তালিকা থেকে তুলনামূলক স্থিতিশীল ইন্সট্রুমেন্ট বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

ট্রেড করার জন্য সবচেয়ে সহজ কারেন্সি পেয়ার কোনটি?

EUR/USD শুধু ট্রেড করার জন্য সবচেয়ে সহজ পেয়ারই নয়, সবচেয়ে স্থিতিশীল কারেন্সি পেয়ারও। নতুনদের পাশাপাশি পেশাদার ট্রেডারদেরও এটি প্রথম পছন্দ। কম স্প্রেড ও ভালো লিকুইডিটির কারণে এটি সবচেয়ে বেশি ট্রেড হওয়া FX ইন্সট্রুমেন্টগুলোর একটি।

তবে EUR/USD-ও নিখুঁত নয়। এই পেয়ারে ভোলাটিলিটি বেশি। তা ছাড়া, বিশেষ করে আর্থিক বাজারে এত অনিশ্চয়তা থাকলে এর গতিবিধি অনুমান করা খুব কঠিন। এর প্রধান কারণ, সব বড় ব্যাংক, ব্রোকার এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই পেয়ারটিকে প্রধান ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে। ফলে এর গতিবিধি আরও বেশি অনিশ্চিত হয়ে ওঠে।

এই কারণে, শুধু একটি পেয়ারে ট্রেড করা ঠিক নয়। একাধিক ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করে আরও নমনীয় ও বহুমুখী ট্রেডিং কৌশল তৈরি করাই ভালো। কোন পেয়ারটি বেছে নেবেন তা নিয়ে এখনও দ্বিধায় থাকলে, 2020 সালে ট্রেড করার জন্য সেরা কারেন্সি পেয়ারগুলোর পরিচয় দেওয়া সর্বশেষ আর্থিক প্রবণতাগুলো দেখে নিন।

2020 সালে ট্রেড করার জন্য সেরা কারেন্সি পেয়ার

EUR/USD সবচেয়ে বেশি ট্রেড হওয়া ইনস্ট্রুমেন্টগুলোর একটি হলেও, নতুন ট্রেডাররা কম স্প্রেড ও ভালো লিকুইডিটি রয়েছে এমন অন্যান্য জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ারও বেছে নিতে পারেন। 2020 সালে ট্রেড করার জন্য জনপ্রিয় ও সেরা কারেন্সি পেয়ারগুলো হলো:

  • USD/GBP – বড় ধরনের ওঠানামার সম্ভাবনা থাকায় এই কারেন্সি পেয়ারটি ট্রেডারদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে। এ ছাড়া, এই ইনস্ট্রুমেন্টে লাভজনক পিপ এবং বিস্তারিত মার্কেট অ্যানালাইসিস সহজেই পাওয়া যায়। তবে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখা উচিত, এই পেয়ারে ট্রেড করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
  • USD/JPY – এই পেয়ারটি মূলত কম স্প্রেডের জন্য পরিচিত। ট্রেন্ডের তুলনা করলে, অন্যান্য কারেন্সির তুলনায় এর গতিবিধি অনুমান করা সহজ। এই পেয়ারটি বেছে নিলে আপনি বেশ কিছু আকর্ষণীয় ট্রেডিং সুযোগ পেতে পারেন।

নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেড করার উপযুক্ত পেয়ার বেছে নেওয়া কঠিন হতে পারে। এমন অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়, যেগুলো সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট ধারণা নাও থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রেই নতুনদের জন্য আমাদের FX ট্রেডিং গাইডটি কাজে আসবে।

সঙ্গে থাকুন! আরও পড়ুন:

- নতুন ট্রেডারদের জন্য ফরেক্সবিষয়ক সেরা বই

- শুরু করার জন্য ফরেক্সের প্রাথমিক পরিভাষা

- ট্রেডিং নিয়ে সেরা 7টি সিনেমা

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।